Main Menu

বিএনপির বিভাগীয় জনসভা করার সিদ্ধান্তের গোয়েন্দা তথ্য ফাঁস

 

নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড প্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে জনসভা ও ১২ মার্চে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এবং ১০ মার্চ খুলনায় জনসভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। গোয়েন্দা সূত্রের ভিত্তিতে জানা গেছে, বিএনপির গৃহীত জনসভা কর্মসূচি সাদা চোখে জনসভা মনে হলেও গোপনে এর মাধ্যমে বিশেষ ফায়দা লুটের পরিকল্পনা করছে দলটি।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ‍দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের পর বিএনপি বিভিন্ন সময়ে খালেদার করামুক্তির নড়বড়ে কর্মসূচি দিয়ে এসেছে। নড়বড়ে হলেও খালেদা জিয়ার কারামুক্তি কর্মসূচিগুলো শান্তিপূর্ণ হওয়ায় তাতে বিএনপির চরিত্রগত ত্রুটি ‍ঘুচতে শুরু হয়। কিন্তু গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর উস্কানিতে শান্তিপূর্ণ কালো পতাকা কর্মসূচিতে দলের কর্মীরা পুলিশের উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়িসহ বিশৃঙ্খলায় জড়ায়। রিজভীর এমন পরামর্শের কারণে দলের সিনিয়র নেতাকর্মীরাও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। ফলে ওই কর্মসূচিতে বিএনপির উগ্রতা জনগণকে দলটির বিগত রাজনৈতিক চরিত্র মনে করিয়ে দেয়। আর তাই সোজা পথে না হেঁটে জনগণের সমর্থন পেতে জনসভার নামে গভীর ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, যেহেতু খালেদা জিয়ার কারামুক্তি বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিএনপি বারবার ব্যর্থ হচ্ছে, সেহেতু কৌশলে জনগণের সমর্থন পেতে চাইছে দলের হাইকমান্ড। আর তাই ঢাকা, খুলনাসহ দেশের ৮ বিভাগে একাধারে জনসভা করবে বিএনপি। এতে দলীয় শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে কৌশলে নাশকতামূলক ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা হয়েছে। আর যদি সেই পরিকল্পনা ৮টি বিভাগের কোনো একটিতে বাস্তবায়িত হয় তবে সেটাকে রাজনৈতিক কৌশল করে জনগণকে সম্পৃক্ত করা যাবে। এতে বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি আন্দোলনকে একটি বিশেষ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সহজ হবে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপি একজন নেতা বলেন, দলের হাইকমাণ্ডের এমন পরিকল্পনার বিষয়ে আমিও কেবল শুনেছি। আর শুধু এতটুকু জেনেছি যে, একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে সারা দেশে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *