Main Menu

দেশের অর্থনীতির চাকা বেশ সন্তোষজনক  : সংসদে অর্থমন্ত্রী 

 

নিউজ ডেস্ক : ২০২১ সালের মধ্যে একটি জ্ঞানভিত্তিক তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ গড়ে তোলা, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং জনগণের জীবনমানের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৯ সালে বর্তমান সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। সরকারের ওই দুই মেয়াদে পরিকল্পিত ও লক্ষ্যাভিমুখী বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ ঈপ্সিত লক্ষ্যে নিকটবর্তী হয়েছে।

গত বছরে অক্টোবরের মাঝামাঝি জাতিসংঘের ‘কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) সচিবালয়ের একটি মিশন বাংলাদেশ সফর করে নিশ্চিত করেছে ২০১৮ সালের মার্চে নির্ধারিত ‘সিডিপি’ রিভিউ সভার পূর্বেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে আসার প্রয়োজনীয় তিনটি শর্ত পূরণ করে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে।

এছাড়া ২০৪১ সাল নাগাদ সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা সাজিয়েছে এবং তা বাস্তবায়নে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। একইসাথে, বিশ্বায়নের এ যুগে সরকারের কর্মপরিকল্পনাসমূহকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজিএস)-এর সাথেও সমন্বয় করে নেয়া হয়েছে।

ফলে দীর্ঘদিন যাবৎ চলমান ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির বৃত্ত ভেঙে গত (২০১৬-১৭) অর্থবছরে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। দারিদ্র্য হ্রাস পেয়ে বর্তমানে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশে নেমেছে, অতিদারিদ্র্যও কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৯ শতাংশে।

গত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে কর রাজস্ব আদায় ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি ব্যয় বেড়েছে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিগত অর্থবছরে প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রান্তিকে তা বেড়ে ১০ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

রপ্তানি আয় বেড়ে ৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরে একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৮ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।

আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে ২৮ দশমিক ৪ শতাংশ, আমদানির ঋণপত্র খোলার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ। ব্যক্তি খাতে ঋণ প্রবাহ ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেয়ে ৫ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০১৬ সালে এটি ছিল ৫ দশমিক ৭ শতাংশ।

এ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি আয়, প্রবাস আয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহসহ মৌলিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক চালকসমূহের অবস্থান বেশ সন্তোষজনক।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যকর ও গতিশীল নির্দেশনায় চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাজেট বাস্তবায়ন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকারের ওই ক্রান্তিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

(২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর প্রদত্ত তথ্য হতে সংকলিত)






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *