Main Menu

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের’র মায়ের দাফন সম্পন্ন

 

প্রশান্ত সুভাষ চন্দ :

 

হাজার হাজার মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপির মা বেগম ফজিলাতুন্নেছা (৯২) এর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় কোম্পানীগঞ্জের সরকারী মুজিব কলেজ মাঠে জানাজা শেষে সাড়ে ৩টায় বসুরহাট পৌরসভার  ১নং ওয়ার্ডে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে তাঁর স্বামীর কবরের পাশে দাফন করা হয়।

 

জানাজায় ওবায়দুল কাদের ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, , আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, সাংসদ সদস্য ও আ’লীগের য্গ্মু-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার, বর্তমান সভাপতি সাইফুর রহমান সোগাগ, নোয়াখালী-২ আসনের সাংসদ এইচএম ইব্রাহিম, কেন্দ্রীয় নেতা অসীম কুমার উকিল,সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আলা উদ্দিন নাসিম, ফেনী-৩ আসনের সাংসদ ও ফেনী জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী-১ আসনের সাংসদ মোর্শেদ আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগ সভাপতি খায়রুল আলম সেলিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, সদর পৌরসভার মেয়র শহীদুল্লাহ খান সোহেলসহ কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা আ’লীগ, যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ জনতা।

 

জানাজা শেষে মরহুমার কফিনে ফুল দিয়ে কেন্দ্রীয় আ’লীগ, জেলা আ’লীগ, প্রেসক্লাব কোম্পানীগঞ্জ, জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

 

এদিকে কোম্পানীগঞ্জবাসী তাদের প্রিয় নেতা ওবায়দুল কাদেরের মায়ের জানাজায় অংশগ্রহন করতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই দূর দূরান্ত থেকে ওবায়দুল কাদেরের বাড়ি ও সরকারী মুজিব কলেজ মাঠে হাজির হতে থাকে নানা বয়সী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো তাদের প্রতিটি চেহারাতেই ছিলো আপনজন হারানোর বিষন্নতা।

 

সকাল ১১টার দিকে ওবায়দুল কাদেরের মায়ের কফিন বহনকারী শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকা থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাস্থ তাঁর নিজ বাড়িতে আনা হয়। এসময় বাড়িতে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়। সংবাদ পেয়ে ওবায়দুল কাদেরের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত হয় মন্ত্রীর বাড়িতে।

 

উল্লেখ্য সোমবার রাত ১০.৩৫মিনিটে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওবায়দুল কাদেরের ৯২ বছর বয়সী মা বেগম ফজিলাতুন্নেছা ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্নাইলাহে রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে ও ৫ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন

 

ওবায়দুল কাদেরের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বেগম ফজিলাতুন্নেছা কোম্পানীগঞ্জের তৎকালীন এমএলএ মৌলভী খান সাহেব আমিন উল্লাহর কন্যা। ফজিলাতুন্নেছার স্বামী মরহুম মোশারেফ হোসেন বসুরহাট এএইচসি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

 

মরহুমার বড় ছেলে ওবায়দুল কাদের বর্তমানে দেশের সফল সেতুমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া তাঁর ছেলে ফজলুল কাদের মিন্টু বাবার ঐতিহ্যবাহী বসুরহাট এএইচসি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। আরেক ছেলে আবদুল কাদের মির্জা বসুরহাট পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অপর ছেলে শাহাদাত হোসেন ব্যবসার পাশাপাশি সমাজসেবার সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। অন্যদিকে মেয়েদের পরিবারও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত।

 

জানাযায়, বেগম ফজিলাতুন নেছা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত কয়েকদিন ধরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদ কোম্পানীগঞ্জে পৌঁছার পর সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে। আগামী বৃহস্পতিবার সরকারী মুজিব কলেজ মাঠে মরহুমার কূলখানি অনুষ্ঠিত হবে।

 

জানাজা পূর্ব মুহুর্তে ওবায়দুল কাদের এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আমার সফলতার পেছনে সকল অনুপ্রেরণা ছিলক আমার মা। আপনারা আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন এবং অজান্তেও যদি আমার মা আপনাদের কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকে তাহলে তাঁকে ক্ষমা করে দিবেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *