মো.নাইম তালুকদার, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ :
দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পানের বাজারে লেগেছে আগুন। পান খানেওয়ালা সাধারণ মানুষজন বড়ই পিপাকে পড়েছেন । আগামী কয়েক বাজারের ছেয়ে আজ পানের দাম বাজারে খুব বেশী । দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ঐত্যবাহী পাথারিয়া বাজারে আজ মঙ্গল বার বিকাল ০২ টায় সরেজনিনে গিয়ে দেখা যায়,পান দোখানে মানুষজন পানের দাম জিজ্ঞেস করে মেরে মাথায় হাত দিয়ে চলে আসেন। পানের দাম অতিরিক্ত থাকায় পানের বাজারে মানুষজনের তেমন ভীর দেখা যায়নি। বাজারের আনাচে কানাচে মানুষজন শুরগুলে ব্যস্ত যে পানের এতো দাম কি করে পান কিনি। শুধু পানের দাম নয় সাথে সাথে সুপারির দাম ও একটু বেশি। দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পল্লী অঞ্চলের অনেকেই আজ পান খরিদ না করে বাড়ীতে চলে যান। কারণ যেই মহুর্তে পানের দাম আড়াইশত টাকা টিক সেই সময় একজন দিনমজুরের দিনের বেতন ও আড়াইশত টাকা। অনেকেই মনে মনে পান খাওয়ার প্রতি জীদ পোষণ করে বাড়ীতে চলে যান। সাধারণ পান খেয়াপীগণের কাছে পান না খরিদ না করে বাড়ীতে চলে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার গাজীনগর গ্রামের দিনমজুর উকিল আলী জানান, লবণ আনতে পান্তা পুড়ায় কাজ কাম করি দিনে যে টাকা বেতন পাই একদিনের টাকা দিয়ে ও পান সুপারি কিনতে পারবো না । তাই আজ পান না কিনে বাজার থেকে বাড়ীতে চলে যাচ্ছি। বাজারের পার্শ্ববর্তী হত-দরিদ্র বাসিন্দা মল্লিকা বেগম জানান,আমরা বাজারে আশে পাশে থাকি কোন দিন এতো দাম শুনিনি পান সুপারির। আজ মনেহয় পানের বাজারে আগুন লেগেছে, আমি আজ আর পান খরিদ করিনি, খালি মুখে আগামী বাজার পর্যন্ত থাকবো। বাজারে বিশিষ্ট পান ব্যবসায়ী মো.নুর মিয়া,ও মনির উদ্দীন সহ গংরা জানান, গতবাজারে পানের দাম খুব কম ছিলো। পানের ঝিক প্রতি মূল্য ছিল ১২০,টাকা, হঠাৎ পানের ঝিকের মুল্য হয়ে ২৫০, টাকা। পান কিনতে অনেকেই দিধাবোধ করছেন। পানের বাজারে বাটা পড়েগেছে। অন্যদিনের তুলনায় পান আজ খুব কম বিক্রয় করেছি। মানুষজন অস্তিতে ভূগছেন। মনে পানের বাজারে আজ আগুন লেগেছে।
এব্যাপারে পাথারিয়া বাজারের সদস্য মাওলানা ইউসুফ আলী বলেন, পানের ফলন মনে হয় খুব কম তাই পানের দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছেন। কারণ এ বছর কোন বৃষ্টি পাত হয়নি। তাই পান ও বাড়ছে না।