Main Menu

নবাবপুরে গৃহবধূকে হত্যার ৪মাসেও ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ

 

ফেনী প্রতিনিধি  : ২৯ জানুয়ারী ২০১৮।

ফেনীর সোনাগাজীতে আছমা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধুকে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে আসামী করে মামলা দায়ের হলেও পুলিশ ঘটনার চার মাস পরও কোন ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি। এতে নিহতের স্বজনদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা মামলা তদন্তের দ্রুত অগ্রগতি ও ন্যায় বিচারের আশায় ঘুরছে পুলিশ প্রশাসন সহ জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, নবাবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সুজা উদ্দিনের ছোট ছেলে বোরহান উদ্দিন আহমেদ রাজুর সাথে একই ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের কাতার প্রবাসী রফিকুল ইসলামের কন্যা আছমা আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ৬ মাস বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামী বোরহান উদ্দিন, বাসুর মেজবাহ উদ্দিন মিলে আছমাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ব্যাপারে নিহতের মা পেয়ারা বেগম বাদি হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামী করে মামলার দায়ের করেন। ঘটনার পর পরই স্বামী বোরহান উদ্দিন আহমেদ রাজুকে (৩৫) পুলিশ গ্রেফতার করে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য ফেনী সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদনে লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং এটি হত্যাকান্ড বলে ফেনী সদর হাসপাতালের আরএমও অসীম কুমার সাহা জানিয়েছেন।

এদিকে ঘটনার দীর্ঘ চার মাস অতিবাহিত হলেও মামলার তদন্ত ও হত্যাকান্ডের ক্লু উদযাটনে কোন অগ্রগতি নেই এবং অপর আসামী গ্রেফতারেও পুলিশের নিষ্কৃয় রয়েছে বলে স্বজনদের অভিযোগ। তারা ক্ষোভের সাথে বলেন, একটি প্রভাবশালী মহল হত্যা মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য প্রতিনিয়ত চাপ প্রয়োগ করছে। তাই এই হত্যাকান্ডের ন্যায় বিচার নিয়ে আমরা শঙ্কিত।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাগাজী মডেল থানার এস.আই অাবুল খায়ের বাংলারদর্পন কে জানান, গৃহবধূ আসমা আক্তার হত্যা মামলাটি পুলিশ তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *