মো.নাইম তালুকদার : সুনামগঞ্জ :
সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র শাহীন রহমান। সে উপজেলার কান্দিগাঁও গ্রামের মৃত আঃ মতলিবের ছেলে। পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাইফুল ইসলাম নামের এক শিক্ষককে প্রকাশ্য লাঞ্চিত করেছে ।
পরে এলাকার বিজ্ঞজনদের সম্বনয়ে জনসম্মুখে শিক্ষকের পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে শুনাগেছে। পরে এলাকার বিজ্ঞজনের সর্বসম্মতি ক্রমে পঞ্চাশ হাজার টাকা মুছলেকা দিতে ব্যাধ হয়েছে।
স্হানীয়রা জানান , গত ১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উৎপেতে স্টেজে উঠে সাইফুল ইসলাম নামের ঐ শিক্ষক কে লাঞ্চিত করে। নিরুপায় শিক্ষকে সে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে স্টেজ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে। পরে সেচ্ছাসবক ও অনুষ্টান উপভোগ কারীরা তাকে নিয়ন্ত্রন করে, শিক্ষক কে ডাক্তারের কাছে পাটিয়ে দিছে জানান পত্যাক্ষদর্শীরা। ১৭ ই ডিসেম্বর ছাত্ররা মিছিল বের করে , দোষী শাহীনকে গ্রেফতার করার জন্য। উত্তাল হয় পাগলা বাজার।
পরে তারা শাহীনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে রাস্তা অবরোধ করে। পুলিশ ও এলাকার বিজ্ঞজন এসে শালিশের মাধ্যমে এই ঘঠনার নায়ক দোষী ব্যাক্তির শাস্তি দেবেন বলে আস্বস্ত করে ঐ দিন রাতে অভিযুক্তকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনেন। পরে সোমবার বিকাল ২ টায় সকলের সামনে শাহীনকে দোষী সাব্যস্ত করে লাঞ্চিত হওয়া শিক্ষক সাইফুল ইসলামের পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়। সেই সাথে বলা হয়।
ঘঠনা অনুযায়ী রায় না করায় এই রায়ের প্রতি এলাকার সচেতন মহল অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিচার মনে হয় এখন বাজারে বিক্রি হবে। কারণ মানবিক মূল্যবোধ মনে লিজ হয়ে গেছে।