দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে স্কুল ও খেলার মাঠেও নিঃসঙ্গ শিশুরা!

 

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

দুরারোগ্য “নিউরোফাইব্রোমাটোসিস” ব্যাধির কারণে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার কেসমত ঘোড়াগাছা গ্রামের একই পরিবারের ছয় সদস্য মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। হতদরিদ্র এই পরিবারের দুই মেয়েকে তাদের স্বামীরা সন্তানসহ তালাক দিয়েছেন। রোগটি ছোঁয়াচে না হলেও স্কুল কিংবা খেলার মাঠেও পরিবারের আক্রান্ত শিশুদের সাথে অন্য শিশুরা মিশতে চায় না। ফলে আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে চিকিৎসা বঞ্চিত গোটা পরিবারটি এখন অসহায় হয়ে পড়েছে। এখন অনেকটাই সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন পরিবারটি। ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার কেসমত-ঘোড়াগাছা গ্রামের গ্রাম্য চিকিৎসক মৃত ইজাল উদ্দিনের ছিল এই রোগ। তার স্বাভাবিক মুত্যৃর পর পরবর্তীতে বড় ছেলে ইফাজ উদ্দিন ও দুই মেয়ে নার্গিস খাতুন এবং পারভিনের ১০/১১ বছর বয়স থেকে শরীরে ছোট ছোট ফোট দেখা দেয়। পরে এগুলো বড় হয়ে মারবেল আকার ধারন করে এবং মুখমন্ডলসহ সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের বিয়ের পর ইফাজ উদ্দীনের ৮ম শ্রেনীতে পড়ু–য়া ছেলে অনিক হোসেন, পারভিনের মেয়ে ছোঁয়া খাতুন ও নার্গিসের ৭ম শ্রেনীতে পড়–য়া ছেলে রোমিওর শরীরেও “নিউরোফাইব্রোমাটোসিস” রোগ দেখা দেয়। আক্রান্ত পরিবারের বড় ছেলে ইফাজ উদ্দীন জানান, কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে ১৫ বছর আগে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রোগটি “নিউরোফাইব্রোমাটোসিস” বলে চিহ্নিত করেন। ডাক্তাররা তাকে জানান, এই রোগের কোন চিকিৎসা নেই। তাছাড়া “নিউরোফাইব্রোমাটোসিস” রোগের মৃত্যুর কোন সম্ভাবনা নেই। তাদের পুর্নবাসন ও সহমর্মিতা জানাতে সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসতে পারেন।

যোগাযোগ ও আর্থিক সহায়তা দিতে ওই পরিবারের বড় ছেলে ইফাজ উদ্দীনের বিকাশ নং ০১৯৪৯-১৩২৬৭০।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *