নদীতে তলিয়ে যেতে পারে নোয়াখালীর মুছাপুর ক্লোজার!

জসিম উদ্দিন কাঞ্চন:ভাঙ্গনের কবলে পড়তে পারে শতকোটি টাকা ব্যায়ে মুচাপুর ক্লোজার।জানা যায়,সোনাগাজী সহ ৭টি উপজেলা কে বঙ্গপসাগরের জোয়ারে লোনা পানি থেকে রক্ষা ,নদী ভাঙ্গন রোধে অধিক ফসল উৎপাদনের লক্ষে ১৯৬৭-৬৮ ইং সালে ছোট ফেনী নদীর উপর কাজীর হাট নামক স্থানে একটি ক্লোজান নির্মান করা হয়।কালের বিবর্তনে ও ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের মেরামত ও সংস্কার এর নামে ব্যাপক লুটপাট এর কারণে ২০০১ সালে কাজীর হাট ক্লোজার টি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
fb_img_1480789856910
নদী গর্ভে বিলীন হওয়া কাজীর হাট ক্লোজার এর ২০ কিলোমিটার পিছনে ছোট ফেনী নদীর উপর মুচাপুর নামক স্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ ইং সালে মুচাপুর ক্লোজারটি নির্মান কাজের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন। ২০১৫ সালে উক্ত রেগুলেটরের কাজ সম্পন্ন হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন ঘোষনা করেন।
4-300x200
সরজমিনে দেখা যায়, ২০০৬ ইং সালে যখন ক্লোজার নির্মান কাজ শুরু হয় তখন ক্লোজারের পিছনে পশ্চিম দিক থেকে ধেয়ে আসা ডাকাতিয়া নদী প্রায় ৪ কিলেমিটার দক্ষিনে অবস্থান করছিল। ক্লোজারের পিছনে অর্থাৎ ক্লোজারের দক্ষিনে ৪ কিলোমিটার জুড়ে ছিল কেওড়া বন। কেওড়া বনের মধ্য দিয়ে খাল কেটে ক্লোজারের পানি প্রবাহিত করা হয়। ডাকাতিয়া নদী ভেঙ্গে মুচাপুর ক্লোজারে আধা কিলোমিটার দুরে অবস্থান করছে। এখন থেকে ডাকাতিয়া নদীর ভাঙ্গন রোধ করা না হলে মুচাপুর ক্লোজার ভেঙ্গে নদী গর্ভে তলিয়ে যেতে পারে বলে অনেকে অভিমত প্রকাশ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *