এম,তানভীর আলম :
কুমিল্লায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের যৌথ সম্মেলন নগরীর অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দেশেরসহযোগিতায় সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সোমবার (২২ মে) কুমিল্লা ক্লাব মিলনায়তনে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশের জেলা প্রশাসন ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটপর্যায়ের কাস্টার-৫ এর মূল বৈঠক হয়।সম্মেলনে দুই দেশের সীমান্তের চোরাচালান,মাদক, সন্ত্রাস, নাশকতা প্রতিরোধে ব্যবস্থাপনাসহ গোমতী নদীর পানি বণ্টন, সীমান্তের অধিবাসী এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসব বিনিময় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।এছাড়া গোমতী নদীর পানি শেয়ারিং, মৃতদেহ, রোগী এবং সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের আত্মীয়-স্বজনসহ অন্যান্য বিষয়, আখাউড়ার মরাগাং খালের পানি সরবরাহ, আখাউড়া স্থলবন্দর এবং হবিগঞ্জের স্থলবন্দর ও ভারতের পাহাড় মুড়া স্থলবন্দরে ভিসা অফিস চালু করা, আগরতলা-আখাউড়া রেল লাইনসহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসব বিনিময়সহ ২১টি বিষয়ে নিয়েও আলোচনা করেন তারা।সম্মেলনে বাংলাদেশের কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এরজেলা প্রশাসকগণ এবং ভারতের ক্রিপুরা রাজ্যের পশ্চিম ত্রিপুরা, সিপাহজলা ও খোয়াই জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ উপস্থিত ছিলেন।দুপুরে সম্মেলন শেষে সিপাহীজলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, আলোচনা খুব আন্তরিকতার সাথে শেষ হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ের কিছু এজেন্ডা রেজুলেন্স হতে পারে। আর কিছু এজেন্ডা আছে যা উর্ধবতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা হবে। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাংগীর আলম জানান, এজেন্ডা নিয়ে সুনির্দিষ্ট আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তে গাঁজা চাষ ও মাদক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের প্রধান ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোঃ রুহুল আমিন বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের ডিসি-ডিএম যৌথ সীমান্ত সম্মেলন হচ্ছে দুইটি দেশের মধ্যে বিভিন্নইস্যুতে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত তৈরির প্রতিচ্ছবি। দুই দেশের সহযোগিতার মাধ্যমে সীমান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেও এখানে আলোচনা হয়েছে তিনি জানান।