নিজেস্ব প্রতিবেদক:
নোয়াখালী সুবর্নচর উপজেলার চর জুবিলী ইউনিয়নের উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামের বান্দের হাট বাজারের এক যুবক কে পিটিয়ে আহত করেছে উক্ত বাজারের রহিম স্টোরের মালিক রহিম ও তার ছেলে বাবু। ভুক্তভোগির অভিযোগ করে বলেন উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের পুত্র আব্দুর রহিম (৩৫) স্থানীয় বান্দের হাট বাজারে রহিম ষ্টোর নামীয় মুদি দোকানে দির্ঘদিন কেনা কাটা করে আসছেন এতে রহিম তার কাছ থেকে মাত্র ১ হাজার টাকা পাওনা ছিল শুক্রবার রাত ৮টার সময় ভুক্তভোগি মো: ফয়সাল(২২) রহিমের দোকানের সামনে দিয়ে বাড়ীতে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসী কায়দায় রহিম তার ছেলে বাবু(২২) ফয়সাল কে দোকানের ভিতরে ডুকিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে এবং তার ব্যবহারিত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে ভুক্তভোগির আত্বীয়রা তাকে উদ্বার করে চরজব্বর সাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান, বর্তমানে ফয়সাল চিকিৎসাধীন আছে, ফয়সালের শরিরের ভিবিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এব্যপারে অভিযুক্ত রহিমের সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, আমার সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে, মারধরের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান। ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার টিপুর সাথে আলাপ কালে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, সামন্য টাকার জন্য এধরনের মারধর করা ঠিক হয়নি, তিনি আরো বলেন বিষয়টি আমি দেখছি কি করা যায়।
কয়েকজন এলাকাবাসী জানান রহিম অতিতে চুরি ডাকাতির সাথে জড়িত ছিল বলে এলাকায় এখনো তাকে রহিম চোরা নামে চিনে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় ব্যাক্তি বলেন রহিমের বাবা হাজ্বী আব্দুর রশিদ ও একসময় চুরি ডাকাতির সাথে জড়িত ছিল তাকে এলাকায় রইস্যা চোরা নামে ডাকতো বর্তমানে হজ্ব করে এসে ভালো হয়ে গেছেন সে সুবাদে বাবার কিছু স্বভাব ছেলেও পেয়েছেন, আহত ফয়সাল জানান রহিম মদ, জুয়া সহ অসামাজিক কাজে জড়িত থাকায় তিনি তার দোকানে সদাই করতে যান না, তাই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তার উপর এই হামলা চালায়।
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আব্দুর রহিমের সাথেআলাপ কালে তিনি জানান ফয়সাল কে কয়েটি শারিরিক পরিক্ষা দেয়া হয়েছে, শরিরের বেশ আঘাতের চিহ্ন রয়েছে সুস্থ্য হতে সময় লাগবে। আহত মো: ফয়সাল উত্তর কচ্চপিয়া গ্রামের শাহাদাত হোসেনের পুত্র। উক্ত ঘটনায় একটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান আহতের ভগ্নিপতি আনোয়ার হোসেন।