মোহাম্মদ আলমগীর ননী
বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে শশুর আবুল কাশেম মামলা দিলো পুত্রবধু জেসমিন আক্তারকে। জেসমিন আক্তার
নিজের সব অপরাধ ঢাকতে মিথ্যা মামলা দিয়েছে তারই বাসুর নুরুল আলম হুদনের বিরুদ্ধে। শশুরের করা মামলায় তার ছেলে আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী জেসমিন আক্তার সেনবাগ থানায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী। জায়গা জমি নিয়ে তাদের দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধও চলছে। ঘটনাটি
ঘটেছে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের উত্তর রাজারামপুর গ্রামের কাশেম কোম্পানীর বাড়ীতে।
দুই মামলার বিবরনীতে জানা যায়, নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যাল-১ এ। জেসমিন আক্তার বাদী হয়ে আবুল কাশেমের ছেলে তার
বাসুর মো: নুরুল আলম হুদন (৩৭) এর বিরুদ্ধে একটি নির্যাতন মামলা করে। যাহা মূলত সত্য নয়। ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা ২৪ অক্টোবর
২০২০, সকাল ১১টা, মামলা নং- ৪৬৫/২০২০। বাদী জেসমিন আক্তারের শাশুড়ী জরিনা খাতুন জানান, ঐ দিন তার ছেলে নুরুল আলম বাড়ীতেই ছিলো না। সে ছিল তার শশুর বাড়ীতে। ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং তার সকল অবৈধ কাজকে ঢাকতে হুদনকে মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।
জেসমিন পর পুরুষের সাথে অবৈধ মেলামেশা করে। বাহিরের লোক নিয়ে মদ গাঁজাও খায়। হুদন প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধে এ মামলা
দিয়েছে জেসমিন। তিনি জেসমিনের বিচার দাবী করেন। তাছাড়া জেসমিন চৌমুহনীতে বাড়া বাসায় বসবাস করে। তার স্বামী আনোয়ার হোসেন গত ৭/৮ যাবত আবুদাবিতে থাকে। জেসমিনের কর্মকান্ডে নারাজ হয়ে বাড়ীতে আসছেনা সে।
অপরদিকে জেসমিনের মামলায় যে ৫জন স্বাক্ষী উল্লেখ করা হয়েছে এদের মধ্যে মো: আলী নেওয়াজ সোহেল, মো: আবুল কালাম, মাসুদ মেম্বার, মো: সুফিয়ান ও আবু তাহের পাটোয়ারী উক্ত মামলার ঘটনার সম্পর্কে কিছুই জানেনা বলে এ প্রতিবেদককে বক্তব্য প্রদান করা হয়, যাহা রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে জেসমিনের শশুর আবুল কাশেম তার অসামাজিক কাজে অতিষ্ট হয়ে গত ১২ মে ২০১৯ সালে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের
করেন। সি.আর মামলা নং- ২২৮/১৯। উক্ত মামলায় জেসমিন ২৫ নভেম্বর ২০১৯ইং তারিখে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী হয়ে পলাতক রয়েছেন। যাহার গ্রেফতারী ওয়ারেন্ট প্রসেস নং- ৬৫১। কিন্তু পুলিশ জেসমিনকে গত ১৫ মাসেও গ্রেফতার করতে পারেনি। উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে তার
বাসুর নুরুল আলম হুদন ও তার পরিবারকে হয়রানী করে যাচ্ছে লেডি মাস্তান জেসমিন।