Main Menu

এবার ডিভি লটারি বাতিল ও গ্রীনকার্ডধারীদের সুবিধা কমাতে মার্কিন সংসদে বিল!

বাংলার দর্পন আন্তর্জাতিক ডেস্ক:-
মাত্র ২ সপ্তাহ আগে ৪ মাসের জন্য সব ধরনের শরণার্থী এবং ৩ মাসের জন্য সাতটি মুসলিমপ্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন ট্রাম্প। সিরিয়ার ক্ষেত্রে ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত’ নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়। ওই আদেশ নিয়ে দেশে-বিদেশে তীব্র সমালোচনার মধ্যে সিয়াটলের একটি আদালত ওই নির্বাহী আদেশের একটি অংশের কার্যকারিতা স্থগিত করে দেন।
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী কমাতে ডিভি লটারি বাতিল ও পারিবারিক কোটা সীমিত করার একটি বিল মার্কিন সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বিলটি পাস হলে প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়া গ্রিনকার্ডধারী অভিবাসীরা শুধু তাদের স্বামী বা স্ত্রী, অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান এবং অসুস্থ বাবামাকে নাগরিক করার আবেদন করতে পারবেন। তবে পারিবারিক কোটার সুবিধা নিয়ে গ্রিনকার্ডধারীরা তাদের পিতামাতা, ভাইবোন, প্রাপ্তবয়স্ক বিবাহিত-অবিবাহিত সন্তান এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের নাগরিক করার সুযোগ পাবেন না। খবর গার্ডিয়ান, পিটিআইএর।
রিপাবলিকান দলের আরকানসাস রাজ্যের সিনেটর টম কটন এবং জর্জিয়ার সিনেটর ডেভিড পারডিউ গত মঙ্গলবার সিনেটে বিলটি উত্থাপন করেন।
নতুন এ বিলের মাধ্যমে গ্রিনকার্ডধারীদের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন সিনেটর কটন। বর্তমানে আমেরিকায় প্রায় ১০ লাখ ৫১ হাজার গ্রিনকার্ডধারী অভিবাসী রয়েছেন। বিলটি পাস হলে প্রথম বছরেই ৪১ শতাংশ গ্রিনকার্ডধারী কমিয়ে ৬ লাখ ৩৭ হাজারে নামিয়ে আনা হবে। এবং পরের ১০ বছরের মধ্যে ৫০ শতাংশ কমিয়ে ৫ লাখে নামিয়ে আনা হবে। অবশ্য পেশাদারি ভিসায় (এইচওয়ানবি) যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এ বিল প্রভাব ফেলবে না। এ বিলকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া নির্বাহী আদেশের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন অনেকে।
এদিকে নতুন এ বিলের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইমিগ্রেশন লিগ্যাল রিসোর্স সেন্টারের অ্যাটর্নি মার্ক সিলভারম্যান। তিনি বলেন, ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে যখন তুমুল বিক্ষোভ চলছে, যখন এ প্রক্রিয়া আদালতেও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এ ধরনের বিল পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করবে।
সিলভারম্যান আরও বলেন, এ ধরনের ‘অ-আমেরিকান কর্মকাণ্ড’ চলতে থাকলে একদিন হয়তো তারা স্ট্যাচু অব লিবার্টিও উচ্ছেদ করবে। নাগরিক হওয়া অভিবাসীদের সবকিছুই কেড়ে নিতে চাইবে।’
হোয়াইট হাউস অবশ্য কটন ও পারডিউর বিল নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র জানান, তারা বিলটি আরও পর্যালোচনা করে মন্তব্য করবেন। তবে কটন জানিয়েছেন, বিল উত্থাপনের আগেই এ বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার ফোনে কথা হয়েছে। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, রিপাবলিকান পার্টির একটি অংশের কাছে ট্রাম্পের কট্টর অভিবাসনবিরোধী নীতির গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ এ বিল। কটন ও পারডিউকে ট্রাম্পের চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ ব্যাননের ঘনিষ্ঠ হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে।
বিল উত্থাপনের পর এক সংবাদ সম্মেলনে টম কটন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক-কর্মচারীদের কথা বিবেচনা করেই তারা অভিবাসন সীমিত করার বিলটি এনেছেন। তিনি বলেন, ‘যখনই কেউ অভিবাসী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকেন, তিনি গ্রিনকার্ড পেয়ে যান। এরপরই স্বামী বা স্ত্রী, মা-বাবা এবং সেই সূত্রে ঘনিষ্ঠ সবাইকে বৈধভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে আনার পথ সুগম হয়; যা আমেরিকার শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য কোনোভাবেই শুভ নয়।’
অবশ্য রিপাবলিকান সিনেটরদের অনেকেই অভিবাসন বিষয়ে এ মনোভাব পোষণ করেন না বলে স্বীকার করেছেন কটন। ডেমোক্রেটরাও এ বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন। কটন বলেন, ‘তবে আমরা আশাবাদী, বিলটি এ বছরের কোনো এক সময়ে ভোটের জন্য উত্থাপন করা হবে।’


মাত্র ২ সপ্তাহ আগে ৪ মাসের জন্য সব ধরনের শরণার্থী এবং ৩ মাসের জন্য সাতটি মুসলিমপ্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন ট্রাম্প। সিরিয়ার ক্ষেত্রে ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত’ নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়। ওই আদেশ নিয়ে দেশে-বিদেশে তীব্র সমালোচনার মধ্যে সিয়াটলের একটি আদালত ওই নির্বাহী আদেশের একটি অংশের কার্যকারিতা স্থগিত করে দেন।
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী কমাতে ডিভি লটারি বাতিল ও পারিবারিক কোটা সীমিত করার একটি বিল মার্কিন সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বিলটি পাস হলে প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়া গ্রিনকার্ডধারী অভিবাসীরা শুধু তাদের স্বামী বা স্ত্রী, অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান এবং অসুস্থ বাবামাকে নাগরিক করার আবেদন করতে পারবেন। তবে পারিবারিক কোটার সুবিধা নিয়ে গ্রিনকার্ডধারীরা তাদের পিতামাতা, ভাইবোন, প্রাপ্তবয়স্ক বিবাহিত-অবিবাহিত সন্তান এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের নাগরিক করার সুযোগ পাবেন না। খবর গার্ডিয়ান, পিটিআইএর।
রিপাবলিকান দলের আরকানসাস রাজ্যের সিনেটর টম কটন এবং জর্জিয়ার সিনেটর ডেভিড পারডিউ গত মঙ্গলবার সিনেটে বিলটি উত্থাপন করেন।
নতুন এ বিলের মাধ্যমে গ্রিনকার্ডধারীদের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন সিনেটর কটন। বর্তমানে আমেরিকায় প্রায় ১০ লাখ ৫১ হাজার গ্রিনকার্ডধারী অভিবাসী রয়েছেন। বিলটি পাস হলে প্রথম বছরেই ৪১ শতাংশ গ্রিনকার্ডধারী কমিয়ে ৬ লাখ ৩৭ হাজারে নামিয়ে আনা হবে। এবং পরের ১০ বছরের মধ্যে ৫০ শতাংশ কমিয়ে ৫ লাখে নামিয়ে আনা হবে। অবশ্য পেশাদারি ভিসায় (এইচওয়ানবি) যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এ বিল প্রভাব ফেলবে না। এ বিলকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া নির্বাহী আদেশের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন অনেকে।
এদিকে নতুন এ বিলের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইমিগ্রেশন লিগ্যাল রিসোর্স সেন্টারের অ্যাটর্নি মার্ক সিলভারম্যান। তিনি বলেন, ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে যখন তুমুল বিক্ষোভ চলছে, যখন এ প্রক্রিয়া আদালতেও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এ ধরনের বিল পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করবে।
সিলভারম্যান আরও বলেন, এ ধরনের ‘অ-আমেরিকান কর্মকাণ্ড’ চলতে থাকলে একদিন হয়তো তারা স্ট্যাচু অব লিবার্টিও উচ্ছেদ করবে। নাগরিক হওয়া অভিবাসীদের সবকিছুই কেড়ে নিতে চাইবে।’
হোয়াইট হাউস অবশ্য কটন ও পারডিউর বিল নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র জানান, তারা বিলটি আরও পর্যালোচনা করে মন্তব্য করবেন। তবে কটন জানিয়েছেন, বিল উত্থাপনের আগেই এ বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার ফোনে কথা হয়েছে। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, রিপাবলিকান পার্টির একটি অংশের কাছে ট্রাম্পের কট্টর অভিবাসনবিরোধী নীতির গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ এ বিল। কটন ও পারডিউকে ট্রাম্পের চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ ব্যাননের ঘনিষ্ঠ হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে।
বিল উত্থাপনের পর এক সংবাদ সম্মেলনে টম কটন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক-কর্মচারীদের কথা বিবেচনা করেই তারা অভিবাসন সীমিত করার বিলটি এনেছেন। তিনি বলেন, ‘যখনই কেউ অভিবাসী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকেন, তিনি গ্রিনকার্ড পেয়ে যান। এরপরই স্বামী বা স্ত্রী, মা-বাবা এবং সেই সূত্রে ঘনিষ্ঠ সবাইকে বৈধভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে আনার পথ সুগম হয়; যা আমেরিকার শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য কোনোভাবেই শুভ নয়।’
অবশ্য রিপাবলিকান সিনেটরদের অনেকেই অভিবাসন বিষয়ে এ মনোভাব পোষণ করেন না বলে স্বীকার করেছেন কটন। ডেমোক্রেটরাও এ বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন। কটন বলেন, ‘তবে আমরা আশাবাদী, বিলটি এ বছরের কোনো এক সময়ে ভোটের জন্য উত্থাপন করা হবে।’






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *