Main Menu

পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় দেবরকে কুপিয়ে জখম করলো ভাবী

শেখ আমিনুর হোসেন,সাতক্ষীরা ব‍্যুরো চীফ: ভাবীর পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় দেবরকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি শনিবার সকালে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার দোহার গ্রামে ঘটে। আহত দেবর

উপজেলার দোহার গ্রামের কামাল শেখের পুত্র বদরুল শেখ (৩৫)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে  তালা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তার মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। পরকীয় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক মুখরোচক সংবাদে পরিণত হয়েছে। এঘনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে আহাতের পরিবার জানিয়েছে।

আহতের স্ত্রী সাবিনা বেগম জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দোহার গ্রামের কামাল শেখের ছেলে কবির শেখ এর স্ত্রী লিলি বেগম(২৬) পার্শবর্তী একটি ছেলের সাথে পরকীয়া করে আসছে। এ নিয়ে এলাকার মানুষ বিভিন্ন সময় লিলি কে নিয়ে সমালোচনা করে যাচ্ছে।

গত বছর সাবিনা বেগম তার এই সমালোচানার কথা জিঞ্জাসা করলে তাকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে তালা হাসপাতালে পাঠায়। তাতে সাবিনার মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছিলো বলে সাবিনা জানায়। একই ভাবে ইতোপূর্বে কবিরের বড় ভাই হাসান শেখের স্ত্রী নুর জাহান ও মেঝ ভাই হোসেন শেখের স্ত্রী শাহিদা বেগম কবিরের স্ত্রীর পরকীয় বাঁধা দিলে তাদের বেদম মারপিঠ করে।

শনিবার সকালে তারই ধারাবাহিকতায় নুর জাহান, সাবিনা বেগম কে বেধড়ক মারপিঠ করে এবং বদরুল শেখ ঠেকাতে গেলে তাকে ধারালো দা দিয়ে মাথার বামপাশে কোপ মারলে মাটিতে পড়ে গেলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তালা হাসপাতালে ভর্তি করে।

স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানায়, কবিরের স্ত্রী লিলি বেগম একজন চরিত্রহীন নারী তার কারনে এলাকার মানুষের সম্মানের হানী হচ্ছে। তার এমন চরিত্রের কারনে বয়স্ক কন্যা সন্তানকে বিবাহ দিতে রিতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে এলাকাবাসীর।

লিলির পরকীয়ার ঘটনা এলাকায় ‘টক অব ভিলেজ’ এ পরিনত হলেও তার স্বামীকে জানাতে গেলে স্ত্রীর উপর নির্ভরশীল কবির শেখ উল্টে তাকে অপমান অপদস্ত করে থাকে। সম্মান হানীর ভয়ে তাদের অপকর্মের কথা কেউ বলতে সাহস পায়না।

লিলি সর্বক্ষনিক তার ভাই উপজেলার কাজীডাঙ্গা গ্রামের জেলখাটা আসামী আমজেদ মুন্সির ছেলে মাদক সেবী জিল্লুর ভয় দেখিয়ে থাকে। তারা আরও জানায়, সাবিনার উপর সন্দেহ করে শুক্রবার রাতে তাকে আক্রমন করে লিলি। কিন্তু ভয়ে ঘরের দরজা দিলে কবির আর কবিরের স্ত্রী সারা রাত ওৎপেতে থেকে সকালে বাহিরে বের হলেই তাদের কুপিয়ে জখম করে। বড় ভাবী নুর জাহান প্রতিবাদ করায় তাকেও এলাপাতাড়ী ভাবে মেরে গুরুত্বর আহত করেছে।

তালা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মেহেদী রাসেল জানান, ঘটনাটি শুনেছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমার নিকট কোন অভিযোগ দাখিল করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *