নিউজ ডেস্ক :
সারা দেশে মোট তিন হাজার ছয় শত জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে।
এরাই নিয়ন্ত্রন করছে রাজধানী সহ সারা দেশ। সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দ সংস্থা ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে নিখুত ভাবে মাকদ ব্যবসায়ীদের এ তালিকা প্রনয়ণ করা হয়েছে। এরা দেশের শত্রু জন গনের শত্রু। সরকারী বাহিনী এদের ধরতে দিন রাত মাঠে কাজ করছে। দেশের চলমান এই অভিযানে প্রতিদিনই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হচ্ছে।
এ অভিযানে জুন মাসের ২ তারিখ পর্যন্ত মোট নিহত হয়েছেন ১৩৪ জন ।
এদের মধ্যে র্যাবের হাতে মারা গেছে ৩৩ জন এবং বাকী ১০১ জন মারা গেছে পুলিশের হাতে।
মে মাসের ৪ তারিখ থেকে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ঢাকা শহরকে মাদক দিয়ে নিয়ন্ত্রন করতেছে । এমন ৫০ জন ব্যাবসায়ীর নাম রয়েছে প্রশাসনের নিকট। এদের মধ্যে মারা গেছে এক জন । বাকী রয়েছে ৪৯ জন। এই ৫০ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী তাদের অধিনস্থ মোট ১৩৮৪ জন কে এলাকা ভিত্তিক মাদক সরবরাহ করে থাকেন। এদের সকলের তালিকা রয়েছে মহানগর পুলিশের নিকট।
টেকনাফ থেকে মাদকের বড় বড় চালান ঢাকা এই শীর্ষ ৫০ জন ব্যবসায়ীর নিকট আসে।
পরে এরা এলাকা ভিত্তিক ছোট ছোট ভাগে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করে থাকে। এই ভাবে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশের সব জায়গায় ছড়িয়ে পরে মাদক।
জুনের ২ তারিখ পর্যন্ত র্যাব মোট ৮৩৮ টি অভিযান পরিচালনা করেছে। এতে গ্রেফতার হয়েছে ১০২৬ জন ব্যবসায়ী ও সেবন কারী।
র্যবের মহা পরিচালক বেনজির আহমেদ জানান,খুবই সতর্কতার সাথে এই তালিকা প্রনয়ন করা হয়েছে। অভিযান যাতে প্রশ্ন বিদ্ধ না হয় সেই দিকে সচেতন রয়েছে র্যব।
মাদক ব্যবসায়ীরা মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে মাদক ব্যবসা করে। তাই প্রশাসনের মধ্যে এক শ্রেনীর লোক এই অভিযানকে প্রশ্ন বিদ্ধ করার চেষ্টায় রয়েছে বলেও জানা যায়। স্থানীয় প্রশাসন রেঞ্জ জেলা পুলিশ গোয়েন্দা বিভাগ ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের এক শ্রেনীর অফিসারদের সহযোগীতায় মাদক ছড়িয়ে পরে দেশের সর্বত্র। এরা যেই ঘুষের টাকা গ্রহন করে তা আপ টু বাটম সবাই পায়। যাকে কাচা টাকা বলা হয়ে থাকে।এই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রা জন প্রতি মাসে প্রশাসন কে মাসে এক কোটি টাকা করে দিয়ে আসছে বলে জানা যায়।
দেশে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের ফলে প্রশাসনের দুর্নীতি গ্রস্থ অফিসার দের এই বিপুল পরিমান টাকা আসা বন্ধ হয়ে গেছে। তাই এদের মাথা খারপ। এর আগেও অনেক বার মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু কখনোই এত কঠিক অবস্থানে ছিল না প্রশাসন।