মো.নাইম তালুকদার :
বিশ্বকাপ খেলা তো আইছে’ বিদ্যুৎ কবে আসবে। আমরা তো বুক ভরা আশা নিয়ে বসে আছি খেলা দেখার জন্য। গতবছর ও আমরা ভালো ভাবে খেলা দেখতে পারিনি।আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ আসবে বলে প্রায় দেড় বছর অতিবাহিত হয়ে গেল বিদ্যুতের কোন সাড়াই পাইলাম না। এবার আমরা কি করে বিশ্বকাপ দেখবো? এনিয়ে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাও ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের যুবকদের মনে হতাশা বিরাজ করছে। এলাকার মুরুব্বী থেকে নিয়ে যুবক ও স্কুল কলেজের পড়ুয়া ফুটবল প্রেমীদের একি প্রশ্ন আমরা বিদ্যুৎ কবে পাইমু আর কি করে বহু প্রতিক্ষিত বিশ্বকাপ খেলা দেখমু। এ হতাশার কথা শুনাযাচ্ছে পশ্চিম ইউনিয়নের প্রায় হাজারো ফুটবল প্রেমীদের মুখে। অনেকের মনের বাষণা যে এবার বিদ্যুৎ আসবে আর নিজ বাড়ী বসে আমাদের প্রিয়দলের প্রিয় খেলোয়ারদের খেলা দেখমু। কিন্তু সে বুকভরা আশা পূর্ণ হবে কি? না এনিয়ে অত্র এলাকার ফুটবল প্রেমীদের মনে অশান্তির ঢেঊ বইছে ।অনেকেই জানান,বহুদিন যাবত তথা দেড় বছর হয়ে গেল বিদ্যুৎ আসবে আসবে কিন্তু বিদ্যুতের তো কোন খবর নেই। এবার একটু আশা ছিলো বিশ্বকাপ খেলা দেখমু মনে হয় এবারো আমাদের আশা পূরণ হবে না।
ঠাকুরভোগ গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর মিয়া জানান,অনেক আশা ছিলো কারেন্ট এলে ঘরে বসে খেলা দেখার। কিন্তু কারেন্টের তো কোন সাড়া পাইলাম না। এবার আর মনে হয় বিশ্বকাপ খেলা দেখার আশা আমাদের পুরণ হবে না। ফুটবল প্রেমী ব্রাজিল সমর্থক দরগাহপুর গ্রামের বাসিন্দা ইমরান হুসাইন জানান,জন্মের পর থেকে একটি দলকে প্রিয় হিসাবে নির্বাচন করে নিয়েছি। ব্রাজিলের খেলা দেখার জন্য আমাদের পল্লী অঞ্চল ছেড়ে খেলা দেখার জন্য ভবঘুরে হয়ে সিলেট -সুনামগঞ্জ চলে যাইতে মন চায়। কিন্তু আমাদের মনে অনেক আশা ছিলো আমাদের গ্রামে কারেন্ট আসবে আমরা ঘরে বসে আমাদের প্রত্যেকের প্রিয় দলের খেলা উপভোগ করবো। কিন্তু আমাদের আশা পূর্ন হবে কি? না এনিয়ে বহু হতাশায় দিন কাটছে আমাদের। দরগাপুর রেডগ্রীন স্পোটিং ক্লাবের অর্থ সম্পাদক মুরছালিন আহমেদ জানান,আজ দেড় বছর ধরি দেখি তাড় আর কোটা কিন্তু কারেন্টের কোন খবর নেই। এবার আশা ছিল, ওয়াল্ড কাপ খেলা দেখার কিন্তু আমাদের আশা মনে হয় আর পূরণ হবে না। অত্র এলাকার বাসিন্ধা আরো অনেকেই জানান, আমরা নিধানের মাস চৈত্র মাসে না খেয়ে কারেন্টের সরঞ্জামাদী কিনেছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কারেন্টের কোন খবর পাইলাম না। আমরা সবাই মনেকরি যদি আমাদের অর্থ প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আস্হা ভাজন এম এ মান্নান মহোদয় যদি একটু আমাদের প্রতি করুনা করেন আমরা অল্প কিছু দিনের ভিতর কারেন্ট পেয়ে যাব। আমাদের পশ্চিম বীরগাও ইউনিয়নের যে সব ক’টি গ্রামে কারেন্ট নেই আমরা সকল গ্রামে বিদ্যুতয়ানের জন্য এম এ মান্নান মহোদয়কে অনুরুধ জানাচ্ছি।
এব্যাপারে অর্থ ও পরিক্লপনা প্রতিমন্ত্রীর একান্ত রাজনৈতিক সহকারী হাসনাত হোসেন বাংলার দর্পণকে বলেন, আমি বিদ্যুৎ অফিসের সাথে আলাপ করতেছি। এলাকায় যদি বিদ্যুতের আনুষঙ্গিক কাজ শেষ হয় আমরা রমজানের মধ্যবর্তী সময় তথা বিশ্বকাপ খেলার আগে বিদ্যুৎ দিয়ে দিব।