Main Menu

বাজেটে থাকছে নতুন ১০চমক :  রূপকল্প ৪১ বাস্তবায়ন করতে এগিয়ে চলেছে সরকার

নিউজ ডেস্ক :

আওয়ামী লীগ বর্তমান সরকার আশা করছে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মাধ্যমে আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের সমপর্যায়ে পৌঁছবে বাংলাদেশ। এজন্য রূপকল্প -২১ এবং রূপকল্প- ৪১ বাস্তবায়ন করার জন্য আগামী বাজেটে দশটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের কর্মকৌশল গ্রহণ করা হবে।

এগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য বিমোচন এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা বিধান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা, সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার অবসান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, তথ্য প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও আইসিটি খাত উন্নয়ন, বৃহৎ প্রকল্প (মেগা প্রজেক্ট) বাস্তবায়ন, ব্লু-ইকোনমি-সমুদ্র সম্পদভিত্তিক উন্নয়ন, বেসরকারী খাত ও বাজার ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং গণতন্ত্র ও কার্যকর সংসদ ও গণমুখী দক্ষ জনপ্রশাসন নিশ্চিত করা। চলতি মেয়াদে এটিই সরকারের শেষ বাজেট তাই আগামী বাজেটে জনগণকে বড় ধরণের চমক দিতে চায় সরকার।

দারিদ্র্য বিমোচন এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা বিধান:

দারিদ্র বিমোচন করে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানো আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার প্রাপ্ত লক্ষ্যের অন্যতম। সরকার ইতো মধ্যে দারিদ্র্যসীমা ও চরম দারিদ্র্যের হার যথাক্রমে ২৩.৫ ও ১১ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে । ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্র জনগণের সংখ্যা ২ দশমিক ২ কোটির নিচে নামানো হবে বলে আশাবাদী।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা:

জাতীয় বাজেটেও সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রদান করেছে। সেই সঙ্গে সাক্ষরতার হার ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ করার লক্ষে শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম অবকাঠামো প্রদান, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষা ব্যবস্থার বিকেন্দ্রায়ণের লক্ষ্যে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণীত হয়েছে।

সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার অবসান:

অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখল, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বন্ধে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হবে। আগামী বাজেটে এ সংক্রান্ত একটি দিকনির্দেশনা দিবেন অর্থমন্ত্রী। বিশেষ করে মুদ্রা পাচার রোধ ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে সব ধরনের কৌশল নেয়া হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি:

আগামী বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ক্ষেত্রে অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখা হবে । বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা সমাধানে একটি দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত সার্বিক জ্বালানি নীতিমালা গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে তেল, গ্যাস, কয়লা, জলবিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস ও জৈবশক্তি, বায়ুশক্তি ও সৌরশক্তিসহ জ্বালানির প্রতিটি উৎসের অর্থনৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

তথ্য প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও আইসিটি:

প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশ দ্রুত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এগিয়ে চলছে। এর ফলে দেশের গ্রামেগঞ্জে সর্বত্র ডিজিটাল প্রযুক্তি পৌঁছে যাচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়ছে, তেমনই অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক অর্থনৈতিক, শিক্ষা-সংস্কতি সকল কর্মকান্ডে এসেছে গতিময়তা, বাড়ছে দক্ষতা। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট’ পুরস্কার লাভ করেছেন।

বৃহৎ প্রকল্প (মেগাপ্রজেক্ট) বাস্তবায়ন:

দেশের উন্নয়নের চাকায় নতুন গতি সঞ্চারের জন্য বড় ধরনের বিনিয়োগ প্রকল্পের প্রয়োজন হয়। এজন্য বরাদ্দ বাড়ানো হবে। ব্লু-ইকোনমি-সমুদ্র সম্পদভিত্তিক উন্নয়ন শেখ হাসিনার কূটনৈতিক সাফল্যের ফলে মিয়ানমার ও ভারতের মধ্যে সমুদ্র সীমার শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি হয়েছে।

সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে উন্নয়ন ও অনস্বীকার্য। এজন্য সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে বরাদ্দ নিশ্চিত করছে সরকার। সেই সঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য আওয়ামী লীগ যথেষ্ট তৎপর। কর্তন সুশাসন ব্যাতিরেকে উন্নয়ন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্র ও কার্যকর সংসদ ও গণমুখী দক্ষ জনপ্রশাসন:

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাষ্ট্র পরিচালনার অন্তরায়সমূহ দূর করেছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ ও কার্যকারিতার ক্রমাগত বৃদ্ধি বিশ্বজনীন স্বীকৃত ও পরীক্ষিত নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হবে আওয়ামী লীগের ব্রত।

আগামী বাজেটে উক্ত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বাস্তবায়নের ফলে আয়ামী লীগ সরকার একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ উপহার দিবে। যেই স্বপ্নের সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিল জাতির পিতা। আজ তার সুযোগ্য কন্যার অবদানে স্বপ্ন দেখছে দেশের প্রায় ১৬ কোটি মানুষ ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *