Main Menu

শেখ হাসিনাকে ‘মা’ বললেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব | বাংলারদর্পন

 

নিউজ ডেস্ক-

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিজের মা’য়ের মতো উল্লেখ করে ত্রিপুরার সর্বিক উন্নয়ন ও বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে তাঁর কাছে আশীর্বাদ চেয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আগরতলার রবীন্দ্রশতবার্ষির্কী ভবনে আয়োজিত এক আলোচনা চক্র অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিপ্লব দেব বলেন, ‘রাজ্যের বিজেপি সভাপতি হিসাবে এক বছর আগে যখন প্রথমবারের জন্য ঢাকা সফরে গিয়েছিলাম, তখন শেখ হাসিনাকে মা’য়ের মতো দেখেছিলাম এবং ত্রিপুরার প্রতি তাঁর যে ভালবাসা সেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা নিজের ছেলের মতো করেই আমায় আপ্যায়ণ করেছিলেন’। বিপ্লব দেব’এর অভিমত হাসিনার প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত আনুগত্য রয়েছে। তাঁর সেবাপরায়ণ মানসিকতাই তাঁকে ওই স্থানে বসিয়েছে।

বিপ্লব আরো জানান, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরও প্রতিবেশি দেশের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে যাওয়ার আগেও বিপ্লবকে ফোন করে আশীর্বাদ করেন শেখ হাসিনা। ফোন করে বিপ্লব দেবকে বাংলাদেশ সফরে যাওয়ারও আমন্ত্রন জানান হাসিনা।

বিপ্লব দেব আরও বলেন, ‘ত্রিপুরার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সহায়তা করা এবং ট্রানশিপমেন্ট ও ট্রানজিটের জন্য বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ায় এ রাজ্যের মানুষ বাংলাদেশ সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ। ত্রিপুরার পালাটানায় ৭২৬ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার পিছনে শেখ হাসিনার অনেক অবদান রয়েছে। তাঁর অনুমতি প্রদানেই বাংলাদেশের সড়কপথ ও জলপথ ব্যবহার করেই ভারী যন্ত্রপাতি এরাজ্যে আনা হয়েছিল’।

দুই দেশের মানুষের সম্পর্কে আন্তরিকতা প্রসঙ্গে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শুরু থেকেই দুই দেশের মানুষের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক ছিল। এখন এই সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে’। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ উভয়ই তাঁর কাছে বরাবর মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি। তাঁর অভিমত একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সাথে অনেক আবেগ জড়িয়ে গেছে। এই আবেগ রয়ে যাবে’।

ভারত-বিরোধী শক্তিগুলির বিরুদ্ধে হাসিনা সরকারের কঠোর মনোভাবেরও প্রশংসা করেছেন বিপ্লব দেব। উত্তরপূর্বের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলিকে নির্মূল করতে শেখ হাসিনার সরকার প্রতিবেশি রাষ্ট্রসূলভ মনোভাবের পরিচয় বলে বর্ণনা করেছেন ত্রিপুরা মুখ্যমন্ত্রী।

বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারত সরকারও ব্যবসা-বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক, যোগাযোগ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছে বলেও জানান তিনি।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *