আমি শ্বশুর বাড়িতে যাবোনা : অাবারো স্কুলে যেতে  চাই

 

 

রাজবাড়ী প্রতিনিধি: বাল্য বিবাহ একটি সামাজিক অন্যায় এটা সাবাই জানে, রয়েছে অনেক আইন তাই বলে কি থেমে আছে বাল্য বিবাহ? না থেমে নেই বাল্য বিবাহ প্রতিনিয়তই কোথাও না কোথাও হচ্ছে বাল্য বিবাহ-একে প্রতিহত করতে গড়ে তুলতে হবে সামাজিক আনন্দোলন: এমনই একটি বাল্য বিবাহ হয়েছে রাজবাড়ীর সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের সোনাকান্দর গ্রামে ৬ মাস পূর্বে বাবা মা জোর পূর্বক ৭ম শ্রেনীতে পরুয়া মেয়েকে  বিয়ে দিয়ে বাড়িতে রেখেছিল!! শ্বশুর বাড়ি যেতে আপত্তি স্কুল ছাত্রীর: অসহায় কিশোরীর পাশে দাড়ালেন সাংবাদিক রবিউল। 

১২ ফেব্রুয়ারী শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে নিতে আসলে সে যেতে আপত্তি জানায়।তাকে জোড়পূর্বক শ্বশুর বাড়িতে পাঠাতে চায় তার পরিবার। পরে ঐ ছাত্রী তার স্কুলের প্রধান শিক্ষকে বিষয়টি গোপনে জানায়।শিক্ষক এই বিষয়টি স্থানীয় এক সাংবাদিক এসএম রেজাউল করিমকে জানান।পরে তিনি পরে রাজবাড়ী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি খন্দকার রবিউল কে অবগত করেন।পরে সাংবাদিক রবিউল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটির পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলেন। পরে তারা বিভিন্ন তালবাহানা করেন। একর পর্যায় বিয়ের বিষয় স্বিকার করেন।

৭ম শ্রেণীর ছাত্রী জানায় তাকে ৬মাস পূর্বে জোর করে তার পরিবারের লোকজন দাদশী ইউনিয়নের আর্শাদ সরদারের ছেলে দর্জী কারিগরের সাথে বিয়ে দেয়। আজ তাকে ছেলের বাড়িতে নিয়ে যেতে লোকজন আসে।সে শ্বশুর বাড়ি যেতে চায়না সে পড়তে চায় বলেই কেধে ফেলে ছোট্র এই কিশোরী।

সাংবাদিক রবিউল ইসলাম জানান, আমার ফেসবুকে সাংবাদিক এসএম রেজাউল করিম একটি ম্যাসেজ দেন সোনাকান্দর এলাকয় একটি ছোট্র কিশোরীর কে জোর করে বিয়ে দিয়ে শ্বশুর বাড়ী পাঠাতে চাচ্ছে তার পরিবারের লোকজন। এমন খবর পাওয়ার পরে আমি ম্যাসেজটি এনডিসি মোঃ তোহিদুল ইসলামকে ফরয়ার্ড করি। পরে নিজেই ছুটে চলে যায় এই ছোট্র কিশোরীকে বাচাতে।পরে স্থানীয় মেম্বার আব্দুর রশিদ (মনি)কে ডেকে এনে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ ২ঘন্টা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হয় মেয়ের ১৮বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ছেলে মেয়ের বাড়িতে আসতে পারবে না। সে ঠিকমত পড়া শোনা করেব তাকে তার পরিবারের পক্ষ থেকেও কোন চাপ সৃষ্টি করতে পারবে না।এই মর্মে ছেলে পক্ষ ও মেয়ের পক্ষ একটি লিখিত মুচলেকা দেন।পরে পুরো বিষয়টি এনডিসি মোঃ তৌহিদুল ইসলামের সাথে ফোনে জানানো হয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *