Main Menu

চট্টগ্রামে বিপুল পরিমান নকল পন্যসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭- বাংলারদর্পন

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো : র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময়ই অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, ভেজাল ব্যবসায়ী এবং অপহরণকারীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে এই পর্যন্ত র‌্যাব বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ, অপহৃত ভিকটিম এবং অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। 

 

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানাধীন ভূমি অফিসের পিছনে, সিএন্ডবি বালুর টাল, আফরীন ট্রেডার্সে একটি অসাধু চক্র ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড এর লগো ব্যবহার করে অবৈধভাবে নকল পন্য সামগ্রী উৎপাদন করে বাজারজাত করে জালিয়াতি করে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখ ১৪.০০ হইতে ১৬.০০ ঘটিকার সময় লেঃ কমান্ডার আশেকুর রহমান, (এক্স), বিএন এবং সিনিয়র এএসপি মিমতানুর রহমান এর নেতৃত্বে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ জাহেদ আলী (৩৫), পিতা- মৃত শরীফ, গ্রাম- মৌলভীপাড়া, লাল মিয়া হাজী বাড়ী, থানা- চান্দগাঁও, সিএমপি চট্টগ্রাম, ২। আমিনুল ইসলাম (৩৭), পিতা- মৃত নজির আহাম্মদ, গ্রাম- হারবাং রোসাইয়া পাড়া, থানা- চকরিয়া, জেলা- কক্সবাজার, ৩। মোঃ হেলাল উদ্দিন (৩০), পিতা- মৃত আব্দুল হক, গ্রাম- চন্দ্রপুর সর্দ্দার বাড়ী, থানা- সুধারাম, জেলা- নোয়াখালী, বর্তমান ঠিকানা- ওসমানীয়া পুলের গুরা, মহরা রাজা মিয়ার বাড়ী, থানা- চান্দগাঁও, সিএমপি চট্টগ্রাম এবং ৪। মোঃ আব্দুল মালেক (৫৫), পিতা- মৃত খোরশেদ আলম, গ্রাম- শীবপুর, আব্দুর রহমান ফকির বাড়ী, পো- রতনপুর, থানা- সদর, জেলা- ভোলা, বর্তমান ঠিকানা- মহরা এফআই ডিসি জিনের বাড়ী, থানা- চান্দগাঁও, সিএমপি চট্টগ্রাম’দেরকে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড এর বিপুল পরিমান নকল পণ্য –  খালি মোড়ক-১০০ পিচ পন্যসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযান পরিচালনা কালে দেখা যায় যে, তারা বিএসটিআই এর শর্ত ভঙ্গ করে বিভিন্ন মেয়াদোত্তীর্ণ কাঁচামাল ও কোন প্রকার কেমিষ্টের সার্টিফিকেট ছাড়াই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক পন্য ব্যবহার করে  প্রসাধনী প্রস্তুত করছে। ধৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে দীঘদিন যাবৎ তারা প্রসাধনী সামগ্রী তৈরীর এ কাজ করে আসছে। তারা আরও জানায় যে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ইউনিলিভার পন্যের ব্যবহৃত বিভিন্ন মোড়ক যোগাড় করে সেগুলোকে রিফাইন্ড করে পূনরায় ব্যবহার যোগ্য করে নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরীকৃত পণ্য ভরে সেগুলো  বাজারজাত করে আসছিল।  যার ফলে সরকার হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে  ভোক্তারা প্রতারিত হচ্ছে।

 

গ্রেফতারকৃত আসামী এবং উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *