Main Menu

রোববার আদালতে সাক্ষ্য দেবেন কলেজছাত্রী খাদিজা

সিলেট: হত্যাচেষ্টা মামলায় রোববার আদালতে সাক্ষ্য দেবেন কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম। তাঁর ওপর হামলাকারী বদরুল আলমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাবেন। আজ শুক্রবার সিলেটে নিজ বাড়িতে পৌঁছে এ কথা জানিয়েছেন খাদিজা।

এর আগে আজ বেলা একটায় সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খাদিজা বলেন, ‘আমি ভালো আছি। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। চিকিৎসক ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাই।’

বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার আউশা গ্রামে পৌঁছান খাদিজা। সেখানে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘আমার ওপর হামলাকারী বদরুলের কঠিন শাস্তি চাই। আমি আদালতে যাব।’ সে সময় বিচার দ্রুত শেষ হওয়ার প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।

আগামী রোববার খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলায় সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এর আগেও সাক্ষ্য দেওয়ার কথা থাকলেও চিকিৎসকের ছাড়পত্র না পাওয়ায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি খাদিজা।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া জানিয়েছেন, খাদিজা এখন অনেকটা সুস্থ। নিজের কাজ নিজে করতে পারছে। তাঁর স্মৃতিশক্তি ফিরে এসেছে। আশা করা যায়, আগামী রোববার আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

সাভারের পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি) প্রায় তিন মাসের চিকিৎসা শেষে সিলেটের বাড়িতে ফিরেছেন কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম।

সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা গত বছরের ৩ অক্টোবর বিকেলে এমসি কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রে বিএ (পাস) পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় হামলার শিকার হন। তাঁকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম। ঘটনার পর জনতা ধাওয়া করে বদরুলকে ধরে পুলিশে দেয়।
সংকটাপন্ন অবস্থায় খাদিজাকে প্রথমে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর খাদিজার অবস্থার উন্নতি হলে গত ২৮ নভেম্বর তাঁকে সিআরপিতে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে ১ ফেব্রুয়ারি এক সপ্তাহের জন্য বাড়ি এসেছিলেন খাদিজা।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *