Main Menu

দাগনভূঞাতে বিএনপির নেতা আরিফুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা ব্যবসা প্রতিষ্টান ও বাড়িতে ভাঙচুর ও লুট

স্টাফ রিপোটার:>>>

ফেনীর দাগনভূঞাতে বিএনপির সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক থানা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আরিফুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরন ও শারারিক নির্যাতন চালিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা। ১০ জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা সংঘবদ্ধ আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এনায়েতভূঞা এলাকায় সংলগ্ন নতুনপুল সংযোগ সড়কে থেকে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তুলে নিয়ে যায়।

 

পরে অজ্ঞাত স্থানে একটি আবদ্ধ ঘরে তার উপর র্নিমম শারারিক র্নিযাতন চালানো হয়। এই সময় সন্ত্রাসীরা তাকে মৃত ভেবে নিঝুম স্থানে ফেলে রাখে আরিফুরকে। সেখান থেকে দুধমুখা বাজারের এক ব্যবসায়ী  আরিফকে উদ্ধার করে ফেনীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে।

 

দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শাহদাত হোসেন এমন তথ্য জানিয়ে বলেন, ১০ জানুয়ারী উপজেলা বিএনপি আযোজিত সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক সভাতে আরিফুরের  সাংগঠনিক ও সামাজিক গিুণাবলীর কারনে তাকে তাকে বিএনপির সামাজিক উন্নয়ন কমিটির সদস্য করা হয়। ওই আলোচনা সভা শেষে সে বাড়িতে যাওয়ার পথে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তুলে নিয়ে যায়। নিয্যাতনের কারণেসে জ্ঞান হারিযে ফেললে মৃত ভেবে সন্ত্রাসীরা ফেলে রেখে যায় ।

 

চিকৎসকেরা জানিয়েছেন তার অবস্থা আশংকা মুক্ত নয় । তারা আরিফুর হোমিও ব্যবসা প্রতিষ্ট্রানেও বাড়িতে হামলা করে তার ব্যবসা প্রতিষ্টান লুট করে ভাংচুর করে। এবং বাড়ি থেকে তাদের গবাদি পশু লুট করে ও তাদের বাড়িদে পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা ।

 

আওয়ামী সন্ত্রাসীরা মৃত ভেবে নিঝুম স্থানে ফেলে দেওয়ার অনেক পরে জ্ঞান ফিরে আরিফের দেখতে পায় সে নিঝুপ ঝোপের ভিতর পড়ে রয়েছে। এমতবস্থায় সে নিজের প্রান বাচাতে ওই অজ্ঞাত স্থান থেকে ফিরে আসে। আবারও সন্ত্রাসীদের হামলার ভয়ে আরিফকে গোপনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এখনও সে শংকা মুক্ত নয় বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

 

উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শাহদাত হোসেন এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে আরিফের উপর হামলা ও প্রান নাশের চেষ্টাকারী আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেন ।

 

আরিফের পিতা আবুল বাশার অভিযোগ করেন, তার ছেলে সাধারন মানুষের উপকার করার জন্য বিএনপি করতো । সন্ত্রাসীরা আরিফকে তাদের দলে যোগ দিতে বললে সে যোগ না দেওয়ায় ঘটনার দিন আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করে।

 

বিএনপির দলীয় একজন সক্রীয় সমর্থক ছিল ।ঘটনার দিন তাকে সংগঠনের সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে ক্ষমাতাসীন আওয়ামীলীগের দলীয় লোকজন দলীয় প্রতিপক্ষ হিসাবে তাকে অপহরন করে বেদম শারারিক নির্যাতন চালিয়ে প্রাণ নাশের চেষ্টা করে ছিল। সন্ত্রাসীরা আরিফুরের হাত পায়ে চুরিকাঘাত করায় ও চিকারেট দিয়ে আগুনে জ্বলসে দেওয়ায় তার ভবিষৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।

 

আরিফুর পিতা আবুল বাশার বলেন, আরিফ গবাদিপশু পালনের পাশাপাশি স্থানীয় একটি হোমিও দোকান স্থাপন করে তার মাধ্যমে  পরিবারের সদস্যদের জীবিকা নির্বাহ করতো । সন্ত্রাসীরা ওই দিন তার হোমিও দোকানটিতে হামলা ও ভাংচুর করে গুডিয়ে দেয় । একই ভাবে বাড়ির অভ্যন্তরে তার গবাদিপশু খামারের গরু লুট করে নিয়ে যায় এবং বাড়িতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা ।

 

এ ঘটনায় তাদের গোটা পরিবার উদ্ধিগ্ন ও আতংকের মধ্যে দিনাতি পাত করছে বলে দাবী করেন আরিফুর এর পিতা আবুল বাশার।

 

আরিফুরের পিতা আরো অভিযোগ করেন ,এঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে গেলে তা নেয়নি এবং কোন ধরনে সহযোগীতা করতেও রাজি হয়নি।

 

দাগনভূঞা থানার ওসি  নিজাম উদ্দিন এই বিষয় জানান, এ ধরনের একটি সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল ।কিন্তু ভিকটিমের সন্ধান না পেয়ে ফেরত এসেছে পুলিশ। লিখিত অভিযোগ ফেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *