Main Menu

বিএনপি ছাড়ছেন অনেক নেতা | বাংলারদর্পন

নিউজ ডেস্ক :

দলের প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির হিসাব কষে বিএনপি ছাড়ার গুঞ্জন রটেছে অনেক সিনিয়র নেতাদের উপর। বিএনপি ছেড়ে দিয়ে রাজনীতি থেকে অনেকে অবসর নেয়ার চিন্তা করলেও কেউ কেউ ভিন্ন রাজনৈতিক দলে সম্পৃক্ত হতে পারেন এমন গুজব শোনা যাচ্ছ রাজনৈতিক অঙ্গনে। বিএনপি ছাড়ার খবর রটেছে যে কয়জন নেতার ওপর তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, বর্ষীয়ান নেতা তরিকুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান।

গোপন সূত্র হতে জানা যায় যে, অগ্নি ও ভাঙচুরের মামলা হতে শুরু করে একাধিক মামলা রয়েছে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে। বিগত কয়েক বছরে বহুবার কারাবরণ করতে হয় তাকে। বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সরাসরি তার যোগসাজশ না থাকলেও বিএনপি করবার কারণে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর রেড মার্কে আছেন তিনি। অপরদিকে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীর হওয়ায় কট্টরপন্থী অনেক নেতাই তার অনেক সিদ্ধান্তে ভিন্নমত পোষণ করেন বলে তিনি মনে করেন। তাই বিএনপি ছেড়ে রাজনীতি থেকে অবসরে যেতে পারেন তিনি।

বিএনপিতে তারেকের সঙ্গে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব করে এখনো স্থায়ী কমিটির সদস্য হয়ে আছেন বর্ষীয়ান নেতা তরিকুল ইসলাম। বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, অসুস্থতার অজুহাতে তারেক তরিকুলকে দলের স্থায়ী কমিটির পদ থেকে বাদ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বেগম জিয়ার অনড় আপত্তির কারণে সেটা হয়নি। বি. চৌধুরী ও অলি আহমেদ অনেকদিন থেকেই তরিকুল ইসলামকে বিকল্পধারার ভেড়ানোর চেষ্টায় ছিলেন। কিন্তু বিএনপি ও খালেদা জিয়ার প্রতি ভালোবাসা থাকার কারণে সেরকম কোনো সিদ্ধান্তে যাননি তিনি। অবশেষে তারেকের উপর বিএনপির দায়িত্বভার ন্যস্ত হলে তার কর্মীদের সাথে আলাপ আলোচনার ফাঁকে বিএনপি ছাড়ার ইঙ্গিত দেন তিনি।

চট্টগ্রামে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দুই নেতার মধ্যে আবদুল্লাহ আল নোমান তারেক জিয়ার অপছন্দের তালিকায়। তারেক জিয়াই তাঁকে স্থায়ী কমিটির সদস্য হতে দেননি। এনিয়ে ক্ষুব্ধ নোমান পদত্যাগও করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বেগম জিয়ার অনুরোধে তিনি দলে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে থাকলেও বর্তমানে বিএনপিতে তারেকের নেতৃত্ব মেনে নিতে নারাজ তিনি। বিএনপির অনেক নেতাই তার পদত্যাগের গুঞ্জনটি নিশ্চিত করেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *