Main Menu

তীব্র যানজটে নাকাল বসুরহাটবাসী : মেয়র ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা | বাংলারদর্পন 

 

প্রশান্ত সুভাষ চন্দ :

 

বসুরহাট বাজারের থানা গেইট থেকে শুরু করে ইসলামী ব্যাংকের সামনে পর্যন্ত, কবিরহাট রোডের রওশন আরা মার্কেটের সামনে থেকে ইসলামী ব্যাংক পর্যন্ত এবং রূপালী চত্ত্বর থেকে নিত্যানন্দ মোড় পর্যন্ত অটো রিক্সা ও সিএনজি অটোরিক্সার কারনে সৃষ্ট যানজটে নাকাল বসুরহাটবাসী। এ জনদূভোর্গ এখন চরম আকার ধারণ করেছে।

 

উল্লিখিত ব্যস্ততম রাস্তা ৩টিতে তীব্র যানজটসহ প্রতিনিয়ত ছোট-খাট  দূর্ঘটনা ঘটেই চলছে। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিরামহীন যানজট থাকার কারনে পথচারীদের দূর্ভোগ চরমে পৌঁছে গেছে।  অনেকটা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ব্যস্ততম বসুরহাট বাজার।

 

সরেজমিন বসুরহাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিজেদের খেয়াল খুশি মতো অটোরিক্সা ও সিএনজি অটোরিক্সার ড্রাইভাররা যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংসহ যাত্রী উঠানামা করে অসহ্য এ যানজটের সৃষ্টি করছে। সাধারণ মানুষের মতে জিরো পয়েন্টের এইচ আর সিটি কমপ্লেক্সের সামনে থেকে থানাপুল পর্যন্ত এবং জিরো পয়েন্ট থেকে রওশন আরা মার্কেট পর্যন্ত রাস্তার উপর সিএনজি অটোরিক্সার ষ্ট্যান্ড বসিয়ে যাত্রীদের উঠানামা করানোর কারনেই প্রতিদিন তীব্র যানজট তৈরী হচ্ছে।  দিন দিন এ যানজট বেড়েই চলছে বলে তাদের অভিযোগ।

 

শুধু অটোরিক্সা ও সিএনজি অটোরিক্সাই নয় এর সাথে যুক্ত হয়েছে দিনের বেলায় ব্যস্ততম রাস্তায় মালবাহী ট্রাক প্রবেশ করে মালামাল উঠা নামা করাসহ ট্রাক্টর ও হ্যান্ড ট্রাক্টর(কুত্তার গাড়ি) চলাচল। যেগুলো রাস্তায় উঠারই কথা নয় সেগুলোই এখন দিনের বেলায় রাস্তায় এসে যানজট তৈরী করছে। অথচ বিষয়টি যাদের দেখার কথা তারা নির্বিকার। ভোগান্তি শুধু সাধারণ জনগণের।

 

অভিযোগ রয়েছে সিএনজি মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ নিয়মিত সিএনজি থেকে চাঁদা আদায় করে তাদেরকে রাস্তার উপর ষ্ট্যাড বসিয়ে রাখার সুযোগ করে দিচ্ছে। অন্যদিকে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তাদের অনিয়ম দিন দিন বেডেই চলছে।

 

বসুরহাট বাজারকে যানজট থেকে মুক্ত করতে অটো রিক্সা ও সিএনজি অটোরিক্সার ষ্ট্যান্ড তুলে দিয়ে সাধারণ মানুষদেরকে যানজট থেকে মুক্তি দিতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করছে সাধারণ মানুষ ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *