Main Menu

আমার মাটি আমার মা, ধ্বংস করতে দিবো না

 

নিউজ ডেস্কঃ

ফেনীতে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি বিক্রির হিড়িক চলেছে।

কৃষকদের অভাব ও সরলতার সুযোগে একটি চক্র এসব মাটি কিনে নিয়ে ইট তৈরির কাজে লাগানো হচ্ছে।জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ও লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঠ থেকে আমন ধান ওঠার পরপরই ফসলি জমির মাটি বিক্রি শুরু হয়। আর এসব মাটি ট্রাকে ও ট্রলিতে করে নিয়ে যাওয়া হয় ইটভাটায়। ফেনী জেলায় বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে প্রায় শতাধীক টি ইটভাটা রয়েছে।

মাটি বিক্রি করেছেনএমন চার-পাঁচজন কৃষক জানান, ইটভাটায় মাটি সরবরাহের জন্য একশ্রেণির দালাল চক্র গ্রামে গ্রামে ঘুরে মাটি বিক্রি করতে উৎসাহ জোগায় এবং স্বল্পমূল্যে উপরিভাগের এসব মাটি কেটে কিনে নেয়। দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কথা না জেনে সহজ-সরল কৃষকেরা নগদ লাভের আশায় জমির মাটি বিক্রি করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কৃষি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, আগে পতিত বা চাষ হয় না—এমন জমির মাটি নিচু জায়গা ভরাট, রাস্তা উঁচু বা নির্মাণকাজে ব্যবহারের জন্য কেটে নেওয়া হতো। আবার অনেকে পুকুর কাটার মাটি দিয়ে এসব কাজ করতেন। এখন ইটের ভাটায় মাটির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ফসলি জমির মাটি বেচাকেনা হচ্ছে দেদারসে। আসলে তাঁরা এসব ক্ষতির বিষয়টি জানেন না বলেই মাটি বিক্রি করছেন।

কৃষক হররাল বলেন, ‘অভাবের কারণে আমি এক বিঘা জমির মাটি ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি। ভাটার লোকজন এসে জমির খেতের উপরিভাগ থেকে দুই ফুট গভীর করে মাটি কেটে নিয়েছে। জোবায়ের জানান, তাঁর এক একর জমির উপরিভাগের দুই ফুট মাটি পাশের একটি ইটভাটায় ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে মাটি বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত মো. দুলাল জানান ও আজিজ জানান, ইটভাটায় ইট তৈরির জন্য প্রচুর মাটির প্রয়োজন। এ জন্য বর্তমানে মাটির চাহিদা বেড়ে গেছে। এ ছাড়া নতুন নতুন ঘরবাড়ি উঠছে। এই ঘরবাড়ি তৈরিতে মানুষ ভিটি করার জন্য মাটি ব্যবহার করছে। মাটির প্রয়োজন বেড়ে যাওয়ায় বিগত প্রায় ১০ বছর ধরে মাটি ব্যাবসায়ী নুর ইসলাম, জমজমাট হয়ে উঠছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কাজ করেন সাহরিয়ার বলেন, ‘ফসলি জমির মাটি বিক্রির বিষয়টি এখন চরম উদ্বেগের পর্যায়ে চলে গেছে। অচিরেই এটা রোধ করা দরকার। না হলে এই উপজেলায় ফসল উৎপাদনে মারাত্মক ধস নামবে।’ এ জন্য কৃষক পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করতে পারেন। এ জন্য যদি তারা (কৃষি বিভাগ) বেসরকারি সংস্থাগুলোর কাছে সহযোগিতা চায়, তবে আমরা সেটা দেবো।

ফেনীর এক কৃষি কর্মকর্তা বলেন, জমির উর্বরতা শক্তি উপরিভাগ থেকে ১৫-২০ ইঞ্চির মধ্যে থাকে। তাই ওপর থেকে মাটি সরিয়ে ফেলায় উর্বরতা শক্তি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় সেই জমির ওপর বিভিন্ন পদার্থ জমে উর্বরতা শক্তি ফিরে আসতে শুরু করে। এভাবে আগের মতো উর্বরতা শক্তি ফিরে আসতে ১০-১৫ বছর সময় লাগে। মাটি বিক্রি করে সাময়িক অভাব দূর হলেও ক্ষতি হয় অনেক বেশি। আমরা কৃষক পর্যায়ে এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নেব। তবে এ জন্য সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

কৃষি বিভাগের আরো কয়েক জন বলছেন, মাটির উপরিভাগের ১০-১৫ ইঞ্চির মধ্যে উর্বরতা শক্তি থাকে। তাই এসব মাটি খুঁড়ে বিক্রি করার ফলে তা পুনরায় ফিরে আসতে ১০-১৫ বছর সময় লাগে। আর বারবার তা খোঁড়া হলে এসব জমি ফসল উৎপাদনে স্থায়ীভাবে একেবারে অক্ষম হয়ে পড়তে পারে।

এদিকে সোনাগাজী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি তার ফেইজবুকে মাটি কাঁটা বন্ধের দাবী যা লিখেছেন তা হুবাহুব তুলে ধরা হল।

৩০টা হাইড্রোলিক গাড়িতে করে মাটি কেরিং চলতেছে আজ কে ১শপ্তাহ ধরে।কৃষি আবাদি জমি খনন করে জনসাধারণ এর চলাচল এর রাস্তা ধংস করে এলাকার নিরিহ কৃষকের বাধা উপেক্ষা করে এলাকাবাসী বাধা অমান্য করে চলতেছিলো মাটি কেরিং.

ইউনিয়ন পরিষদের সন্মানিত চেয়ারম্যান জহির ভাই. উপজেলা প্রশাসনক.জেলা প্রশাসন কে জানিয়ে কোনো প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে আমি নিজে অসুস্হ অবস্হায় অপারেশান রুগী হয়ে ও এলাকাবাসী কে সাথে নিয়ে গাড়ির সামনে নিজে ই শুয়ে পড়তে বাধ্য হই রাস্তায়. অবসেষে আবাদি জমি খননকাজ বন্ধ এবং এলাকাবাসী চলাচলের রাস্তা ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হই………………

আমার মাটি আমার মা

ধংস করতে দিবো না






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *