Main Menu

লন্ডনে বেগম জিয়ার রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা ! 

 

নিউজ ডেস্ক: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বেগম জিয়াকে ‍মুক্ত করতে নতুন আইনজীবী হিসেবে যুক্তরাজ্যের লর্ড সভার সদস্য ও আইনজীবী লর্ড কার্লাইলকে নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি। যিনি বিগত সময় বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে সোচ্চার ছিলেন।

জানা গেছে, খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় লড়তে নয় বরং তাকে নিরাপদে লন্ডনে আশ্রয় দিতেই লর্ড কার্লাইলকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০ মার্চ লর্ড কার্লাইল বেগম জিয়ার দুই আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী এবং খন্দকার মাহাবুব হোসেনের সঙ্গে কথা বলেছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কার্লাইল যুক্তরাজ্যে বেগম জিয়ার রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের আবেদন করবেন। এই আবেদনের পর বিএনপি চেয়ারপারসন বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্যারোলের আবেদন করবেন বলে জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে লর্ড কারলাইলের সাথে এক লাখ পাউন্ডের (বাংলাদেশি টাকায় ১১৪ কোটি টাকা) চুক্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই পরিমাণ অর্থের অর্ধেক পরিশোধ করা হয়েছে বলেও সূত্র নিশ্চিত করেছে।

প্রসঙ্গত, লর্ড কারলাইল ব্রিটিশ হাউস অব লর্ডসের একজন সদস্য। এছাড়া রাজপরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। বিভিন্ন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়ে ব্রিটিশ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য তিনি বেশ আলোচিত। একাধারে তিনি যুক্তরাজ্যে তারেক জিয়ার আইন উপদেষ্টাও। লন্ডনে তারেক জিয়ার রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের ক্ষেত্রেও কার্লাইল আইনি সহায়তা দিয়েছিলেন এবং সর্বশেষ লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাস হামলায় তারেক জিয়ার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনিই তার আইনি সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য অপরাধী বিনিময় চুক্তি হলেও তারেককে যেন লন্ডনেই রাখা যায় সে কারণেই কার্লাইল লবিং করেছেন।

জানা গেছে, তারেক রহমানের আইনি উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা দেয়ার জন্য প্রতিমাসে লর্ড কার্লাইল ২০ হাজার পাউন্ড কনসালটেন্সি ফি নেন। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ২৩ লাখ টাকা।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *