Main Menu

খালেদা জিয়ার জামিন প্রমাণ করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা

 

নিউজ ডেস্ক :

কথায় আছে আইন সবার জন্য সমান, হোক সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কিংবা কোন গরিব দিন মজুর। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হবার কারণে বিএনপি যখন খালেদা জিয়ার জামিনে বিচার বিভাগের সুনজর আশা করে তা পেতে ব্যর্থ হয়, তখন প্রশ্ন তোলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে। আর ১২ মার্চ হাইকোর্ট খালেদার জামিন দিলে বিএনপি পায় মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের দাঁতভাঙ্গা জবাব।

মূলত, খালেদার আইনজীবীরা রায়ের কপির জন্য ঠিক সময়ে আবেদন করেনি। এমনকি খালেদার ডিভিশন পেতে তারা নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পরে আবেদন করে। আর এ কারণে খালেদার রায়ের কপি নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে পৌঁছতে দেরি হয়। আর উচ্চ আদালতে রায়ের কপি পৌঁছানোর পরই খালেদাকে কিছু জিনিষ বিবেচনা করে চার মাসের অন্তর্বর্তী জামিন দেন আদালত।

বিবেচ্য বিষয়গুলো হচ্ছে সাজার মেয়াদ, পেপারবুক প্রস্তুত না হওয়া, আদালতের নিয়মিত হাজিরা ও জামিনের অপব্যবহার না করা, বয়স ও অসুস্থতা। তার মানে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বিচারকার্যের সব বিষয় বিবেচনা করেই তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। কিন্তু জামিনের আগ পর্যন্ত বিএনপি নেতারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে যে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করে দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করে তা আদালত অবমাননা নয় কি?

খালেদার জামিন পেয়ে এবার বিএনপি কি জনসম্মুখে বলবে যে বিচার বিভাগ স্বাধীন, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ?






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *