Main Menu

খালেদা জিয়ার রায়কে ইস্যু করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হলে তাদের কে প্রতিরোধ করা হবে

 

 

মোঃ আলাউদ্দীন :

 

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ বলেছেন, অস্তিত্বহীন জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্টের নামে বিদেশ থেকে এতিমদের সাহায্য করার নাম দিয়ে জিয়া পরিবার যে অর্থ এনেছেন তা আত্মসাৎ করার এ মামলাটি বর্তমান সরকারের আমলে দায়েরকৃত নয়। দূর্নীতি দমন ব্যুারোর এ মামলাটি প্রায় ১০ বছর পরিচালিত হওয়ার পর  ঘোষিত খালেদা জিয়ার রায়কে ইস্যু করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হলে তাদের কে প্রতিরোধ করা হবে। জিয়া পরিবারের দূর্নীতির চর্চা নতুন কোন বিষয় নয়। তাদের সীমাহীন দূর্নীতির ফলে বিদ্যুতের খাম্বা বাণিজ্য করে দেশের সাত হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছিল। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, দুবাই, হং কং সহ অনেক দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছিল। মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে পাচার হওয়া কিছু অর্থ দেশে ফিরিয়েও আনা হয়েছিল। কিন্তু পাচার হওয়া সিংহভাগ অর্থ বিদেশেই থেকে যায়। হাওয়া ভবনের বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও দূর্নীতির কারনে বাংলাদেশ পর পর পাঁচবার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।এ দেশের মানুষ তা এখনো ভুলেনি। উপরোক্ত কথাগুলো সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৫:৩০ মিনিট পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন মোড়ে সমাবেশ গুলোতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছেন। দেওয়ানহাট মোড়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের অবস্থান কর্মসূচীর এক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নগর যুবলীগের আহবায়ক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন বাচ্চু, যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রিয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মামুদুল হক,নগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ মাহমুদ, মাহবুবুল হক সুমন, নগর যুবলীগ সদস্য মো: আকবর হোসেন, একরাম হোসেন, মশিউর রহমান দিদার, মাহাবুব আলম আজাদ, নেছার আহমদ, হেলাল উদ্দিন, শহিদুল ইসলাম শামীম, আবদুল রাজ্জাক দুলাল, খোকন চন্দ্র তাঁতি, শেখ নাছির আহমেদ, ওয়াসিম উদ্দিন, নাজমুল হাসান সাইফুল, সনত বড়–য়া, আজিজ উদ্দিন চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান মাহফুজ, কাজল প্রিয় বড়–য়া, ইসতিয়াক আহমদ চৌধুরী, আলাউদ্দিন আলো, হোসেন সরওয়ারদী, ওয়ার্ড সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে মো: হাসান, হাজী আবদুল মান্নান, শেখ আহমদ, জাহেদ, আহমেদ আবদুর রহিম, আবুল বশর প্রমুখ। সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে নৈরাজ্য এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুবলীগ, ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রতিরোধ অবস্থান গুলোতে সমন্বয় সাধন করা হয়। শুরুতেই দারুল ফজল মার্কেট তারপর ক্রমান্বয়ে দেওয়ান হাট মোড়, বাদামতলী মোড়, হালিশহর বড়পোল মোড়, মুরাদপুর মোড়, জিইসি মোড়, চকবাজার মোড়ের অবস্থান কর্মসূচী গুলোতে নেতৃবৃন্দ যোগদান করেন। দুপুর বেলা রায় ঘোষিত হওয়ার পর নগরীতে আনন্দ মিছিল ও নেতাকর্মীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *