Main Menu

আজ খালেদা জিয়ার মামলার রায় : যাবজ্জীবন কারাদন্ড চেয়েছে দুদক

ডেস্ক রিপোর্ট :

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায় হবে আজ বৃহস্পতিবার। এতে তার সাজা হবে, না তিনি খালাস পাবেন- তা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন দেশবাসী। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চেয়েছে দুদক প্রসিকিউশন।

অপরদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে ৫ আইনজীবী নির্দোষ দাবি করে তার খালাস চেয়েছেন। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আজ সকালে গুলশানের  বাসভবন থেকে বিশেষ আদালতে যাবেন। আদালতে যাওয়ার পথে বিশেষ নিরাপত্তা দেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রায়কে আইনি ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।

দলের হাইকমান্ড ঐক্যবদ্ধ থেকে পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেতারাও জানিয়ে দিয়েছেন রায়ের দিন বিএনপির কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। বিএনপির নৈরাজ্য সহ্য করবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও রয়েছে প্রস্তুত। ৩০ জানুয়ারি ঢাকায় পুলিশের ওপর হামলা ও প্রিজন ভ্যান থেকে আসামি ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

এরপর থেকে দেশব্যাপী ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে যানবাহন ও যাত্রীদের দেহ তল্লাশি চলছে। বিএনপি অভিযোগ করেছে, গত কয়েক দিনেই তাদের শত শত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত রাজধানীতে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। রায় সামনে রেখে দুই দলের প্রস্তুতি দেখে সাধারণ নাগরিকরা আতঙ্কিত। তারা বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন। এ পরিস্থিতিতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা সবাইকে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছেন।

জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মঈদুল ইসলাম  বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দুদক প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে। এ মামলায় আসামিরা আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন। এতে আসামিরা সাজা পাওয়ার যোগ্য। রায় দুদকের পক্ষে এলে তা প্রসিকিউশনের সফলতা প্রমাণ হবে। আর যদি রায় দুদকের পক্ষে না আসে তবে পরবর্তী সময়ে তা দেখে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিআরপিসি’র ৪২৬-এর সাবসেকশন-২ এর বিধান অনুসারে, যদি কোনো বিচারিক আদালত ১ বছর পর্যন্ত সাজা দেন, তাহলে ওই আদালত আসামিকে আপিলের শর্তে জামিন দিতে পারবেন। আর যদি সাজা ১ বছরের বেশি হয়, তাহলে ওই আসামিকে বিচারিক আদালত জামিন দিতে পারবেন না।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মো. মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, এ মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার সুযোগই নেই। এরপরও আদালত যদি এ মামলায় সাজার রায় ঘোষণা করেন, তবে আদালত যে নিরপেক্ষ নন তা প্রমাণ হবে। আর সরকার নিয়ন্ত্রিত যে বিচারক খালেদা জিয়াকে সাজা দেবেন, সে বিচারক তার জামিন দেবেন- তা আশা করা ঠিক হবে না।

তিনি বলেন, আইনের বিধান অনুসারে ১ বছরের কম সাজা হলে সংশ্লিষ্ট আদালতেই আপিলের শর্তে আসামিকে জামিন দিতে পারেন। তবে বিচারিক আদালত যদি জেলা জজ পদমর্যাদার হন, তাহলে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে সে ক্ষেত্রে ৫ বছর পর্যন্ত সাজা হলেও বিচারিক আদালত তাৎক্ষণিক আপিলের শর্তে আসামিকে জামিন দিতে পারবেন। আর উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করতে হলে রায়ের সার্টিফাইট কপি সংগ্রহ করে আবেদন করতে হবে।

মামলা দায়ের, অনুসন্ধান ও চার্জশিট : ২০০৮ সালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। প্রথমে অভিযোগ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয় দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. নূর আহাম্মদকে। তার অনুসন্ধানে খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। পরে অধিকতর অনুসন্ধানের জন্য দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক হারুন অর রশীদকে নিয়োগ দেয়া হয়। অধিকতর অনুসন্ধানে খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। এতে ওই বছরের ৩ জুলাই রাজধানীর রমনা মডেল থানায় খালেদা জিয়াসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন হারুন অর রশীদ। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট নামীয় ২ কোটি টাকা সুদসহ ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাৎ করা বা আÍসাতে সহযোগিতার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ ৬ আসামির বিরুদ্ধে মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, মমিনুর রহমান, কাজী সলিমুল হক ওরফে কাজী কামাল, শরফুদ্দিন আহমেদ ও ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী। চার্জশিটে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ ও সৈয়দ আহমেদের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকীর সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে চার্জশিটভুক্ত আসামি করা হয়।

এরপর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ এ মামলায় চার্জ গঠনের মাধ্যমে আসামিদের বিচার শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের নেয়া ৩২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে আদালতের ২৩৬ কার্যদিবস সময় লেগেছে। আর সব আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য উপস্থাপনে আদালতের ২৮ কার্যদিবস সময় পার হয়েছে। গত ১৯ ডিসেম্বর দুদক প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। উভয়পক্ষের (দুদক ও আসামিপক্ষ) যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে আদালতের ১৬ কার্যদিবস সময় লেগেছে।

চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি তারিখ ধার্য করেন। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতির বিচারের রায় বাংলাদেশে এটাই প্রথম। মামলায় খালেদা জিয়া অস্থায়ী জামিনে ও অপর দুই আসামি কারাগারে রয়েছেন। এ ছাড়া খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ বাকি তিন আসামি পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি রয়েছে।

২৩৬ কার্যদিবসে ৩২ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ : ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ এ মামলায় চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন আদালত। এরপর মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলার চার্জশিটভুক্ত ৩৬ জন সাক্ষীর মধ্যে দুদক কর্মকর্তা নূর আহম্মদ, হারুন অর রশীদসহ ৩২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়। আদালতের মোট ২৩৬ কার্যদিবসে ৩২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়।

মামলার শুনানিকালে আইনজীবীর মৃত্যু : গত বছরের ৫ অক্টোবর মামলার শুনানিকালে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি টিএম আকবর মারা যান। ওই দিন ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে এক আসামির পক্ষে মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে এজলাসের ফ্লোরে পড়ে যান। তাৎক্ষণিকভাবে বারডেম হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খালেদা জিয়ার অনাস্থায় চারজন বিচারক পরিবর্তন : মামলার বিচার চলাকালে উচ্চ আদালতে খালেদা জিয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৪ জন বিচারক পরিবর্তন হয়েছে। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ এ মামলায় চার্জ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক বাসুদেব রায়। এরপর ২০১৫ সালে আদালতের বিচারক পরিবর্তন হয়ে আসেন আবু আহমেদ জমাদার। এরপর গত বছর আসেন ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. কামরুল হোসেন মোল্লা। সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১৪ মে হাইকোর্টের আদেশে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামানের কাছে পাঠানো হয়। এই বিচারকই মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনে বিচার নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ খালেদা জিয়ার : এ মামলায় গত বছরের ১৯ অক্টোবর খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন এবং তা শেষ করেন ৫ ডিসেম্বর। আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রথম দিন আদালতে তিনি বলেন, এ মামলায় বিচারের নামে দীর্ঘদিন ধরে পেরেশানি ও হয়রানির শিকার হচ্ছি। মিথ্যা মামলার কারণে আমার দলের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও জনগণের এক বিরাট অংশকে উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হচ্ছে। আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে কিনা, তা নিয়ে জনমনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

২৬ অক্টোরব দ্বিতীয় দিনে তিনি বলেন, আমার আশংকার জায়গা হচ্ছে- দেশে ন্যায়বিচারের পরিবেশ ও সুযোগ তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। কাজেই আদালতের কাছে আমি ন্যায়বিচার পাব কিনা, সেই সংশয় নিয়েই এ মামলায় জবানবন্দি দিতে হচ্ছে। ২ নভেম্বর তৃতীয় দিনে তিনি বলেন, রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্যে আমাকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরাতে এবং নির্বাচনী অযোগ্য ঘোষণা করতে ক্ষমতাসীনরা একটি নীলনকশা প্রণয়ন করেছে।

তিনি বলেন ৯ নভেম্বর চতুর্থ দিনে তিনি বলেন, শাসক মহলের ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের বিরুদ্ধে কোনো একটা রায় দেয়া হবে। ১১ নভেম্বর পঞ্চম দিনে বলেন, আমার বিরুদ্ধে অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগে দায়ের করা মামলা-মোকদ্দমায় মোটেই ভীত নই।

সব আসামির যাবজ্জীবন শাস্তি দাবি দুদক প্রসিকিউশনের : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শাস্তি দাবি করেছে দুদক প্রসিকিউশন। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক শেষে আদালতে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল এ দাবি করেন।

আদালতে তিনি বলেন, আদালতে ৩২ জন সাক্ষী খালেদা জিয়াসহ ৬ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এছাড়া যেসব ডকুমেন্ট উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড দাবি করা হয়।

এছাড়া দুষ্কর্মে সহায়তার জন্য দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় আসামিদের অভিযুক্ত করা হলেও ওই ধারায় দণ্ডদানের স্পষ্ট কোনো বিধান নেই। তবে সহায়তার জন্য অনুরূপ সাজা দেয়ার বিধান রয়েছে।

খালাস প্রার্থনা করে খালেদা জিয়ার ৫ আইনজীবীর যুক্তিতর্ক : গত বছরের ২০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয় এবং তা শেষ হয় চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি। মোট ১০ কার্যদিবসে ৫ আইনজীবী আদালতে তাদের যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন। এতে তারা খালেদা জিয়ার খালাস প্রার্থনা করেন। ২০ ডিসেম্বর আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে আদালতে বলেন, এ মামলার যত ডকুমেন্ট এসেছে তার সবই ‘ওভাররাইটিং-ঘষামাজা’। খালেদা জিয়ার একটি রাজনৈতিক জীবন রয়েছে।

সেখানে কলঙ্ক দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। সার্বিকভাবে এটি একটি ‘সারবত্তাহীন’ মামলা। ২৭ ডিসেম্বর আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, এটা একটা রাজনৈতিক মামলা। খালেদা জিয়াকে চোর বানানোই এ মামলার উদ্দেশ্য।

২৮ ডিসেম্বর সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় রাষ্ট্রপতির কল্যাণ তহবিলের পাতা কেটে অতিরিক্ত নথি সৃজন করা হয়েছে। কারণ- খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে ‘বিতাড়িত’ করতে হবে। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত করতে এ মামলা দেয়া হয়েছে। ১৬ জানুয়ারি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের শেষ দিন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে নিশ্চিহ্ন করতে এ মামলা করা হয়েছে। এতে খালেদা জিয়ার কোনো ক্ষতি হবে না। বরং জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৬ সাক্ষীর বিরুদ্ধে শাস্তির আবেদন : জাল-জালিয়াতি করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার নথিপত্র সৃষ্টি ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার অভিযোগে তদন্তকারী কর্মকর্তা হারুন অর রশীদসহ ছয় সাক্ষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন করেছেন খালেদা জিয়া।

চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি আইনজীবীর মাধ্যমে এ আবেদন করেন তিনি। তদন্ত কর্মকর্তা ছাড়া অপর সাক্ষীরা হলেন- পিডব্লিউ-০৯ মাজেদ আলী, পিডব্লিউ-১৪ সৈয়দ জগলুল পাশা, পিডব্লিউ-১৯ মোস্তফা কামাল মজুমদার, পিডব্লিউ-২০ তৌহিদুর রহমান খান ও পিডব্লিউ-২১ আবদুল বারেক ভূঁইয়া।

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতির বিচারের রায় বাংলাদেশে এটাই প্রথম : তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা বিচারের রায় বাংলাদেশে এটাই প্রথম। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদের দুটি দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পান।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *